বাবা-মেয়ের সম্পর্ক তো মধুরই ছিল। নিজের প্রশাসনিক কাজেও মেয়ের পরামর্শ ছাড়া প্রায় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন না। এই মুহূর্তে মার্কিন প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর নাম ইভাঙ্কা ট্রাম্প। কিন্তু বাবার সঙ্গে এমন কী হল মেয়ের যে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চান ইভাঙ্কা?
মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩৮ বছর বয়সী এ নারী রাজনীতিক এ ইঙ্গিত দেন। তিনি নিজেকে ‘কম আকর্ষণীয়’ এবং ‘সন্তানরাই তার কাছে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায়’ বলে মন্তব্য করেছেন।
আসন্ন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাবা জিতলে ফের তার প্রশাসনে কাজ করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের উপদেষ্টা ইভাঙ্কা বলেন, ‘আমার সন্তানরা এবং তাদের সুখই সর্বাগ্রে আমাকে সবচেয়ে বেশি তাড়িত করে।’
সিবিএসের ‘ফেইস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘তাদের (সন্তান) দরকার যেন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় সেজন্য আমার সিদ্ধান্ত সবসময়ই দোলাচলের মধ্যে থাকে। তবে আমি আমার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি অনুসারে নিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে ওদের (সন্তানদের) প্রয়োজনটাই অগ্রগণ্য। ওদের ওপরই নির্ভর করছে আমার সিদ্ধান্ত। তারাই আমাকে সবচেয়ে বেশি তাড়িত করে।’
বাবার হয়ে প্রচারে দেশের প্রতিটি রাজ্যে ঘুরেছেন জানালেও তার কাজ এখনও ‘শেষ হয়নি’ বলেও মনে করেন তিনি। বলেছেন, ‘আমরা অনেক কিছুই করেছি, যদিও তা যথেষ্ট নয়।’ কখনও নির্বাচনে দাঁড়াবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউসের এ উপদেষ্টা বলেন, ‘সত্যি বললে, আমার কাছে রাজনীতিকে কম আকর্ষণীয় মনে হয়।’
ইভাঙ্কার পাশাপাশি তার স্বামী জ্যারেড কুশনারও ২০১৭ সাল থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনে কাজ করে আসছেন। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারেও রিপাবলিকান শিবিরের হয়ে এ দম্পতির অনবদ্য ভূমিকা ছিল।
তবে ইভাঙ্কার যোগ্যতা নিয়ে নানা সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করেন, প্রেসিডেন্ট বাবার স্বজনপ্রীতির কারণেই তিনি হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পেয়েছেন।
এএস





