যৌতুকের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় স্ত্রীর কিডনি বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদের ফারাক্কার এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, দুই বছর আগে মুর্শিদাবাদের লালগোলার বিশ্বজিতের সঙ্গে বিয়ে হয় বিন্দুগ্রামের রীতা সরকারের। বিয়ের পর থেকেই দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দেয়া শুরু করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরই মধ্যে হঠাত্ই অসুস্থ হয়ে পড়েন রীতা। চিকিত্সার জন্য রীতাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, রীতার গলব্লাডারে পাথর রয়েছে। অপারেশনের জন্য তাকে ওষুধ দেয়া হয়। ওষুধ খাওয়ার পরেই জ্ঞান হারান রীতা। অপারেশনের পর ফের শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন রীতা। এদিকে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরই শুরু হয় যৌতুকের জন্য অত্যাচার।
এর পরই শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে যান রীতা। সেখানে ফেরার পর শিলিগুঁড়ি বেড়াতে গিয়ে ফের শরীর খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রীতাকে। তখনই আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে ডানদিকের কিডনি নেই রীতার।
রীতার অভিযোগ, গলব্লাডারে পাথর অপারেশনের নাম করেই তার কিডনি বিক্রি করে দেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করছে তার শ্বশুরবাড়ি লোকজন।





