পাকিস্তান-ভারত থেকে এর আগে ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক সশস্ত্র আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটে (আইএস) নারীদের যোগ দেওয়ার খবর পাওয়া যায়। এবার আইএসে যোগ দিয়েছেন উত্তর আফ্রিকার দেশে তিউনিশিয়ার ৭০০ নারী।
এ নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন দেশটির সরকার ও সচেতন মহল। খুব শিগগিরই এসব নারী তাদের পরিবার ছেড়ে আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে যুদ্ধের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যোগ দেবেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ খবর প্রকাশ করে। যোগ দেওয়ার মধ্যে একজন হলেন উলফা হামরুহানি। যার এক সন্তান ইতোমধ্যে পরিবার থেকে পালিয়ে আইএসে যোগ দিয়েছেন। অর্থনৈতিক সংকট আর পারিবারিক টানাপোড়নে তারা এই পথ বেছে নিয়েছেন।
হামরুহানি বলেন, ‘বাড়িতে কোনো সুখ নেই, শান্তি নেই। আমি জানি, আমি মারা যাবো, বরং সেটাই ভালো।’
হামরুহানির দুই মেয়ের মধ্যে এক মেয়ে এক জঙ্গি যোদ্ধাকে বিয়ে করেছেন। যিনি গত বছর তিউনিশিয়ায় পর্যটকদের ওপর হামলার পরিকল্পনায় সহযোগিতা করেছিলেন। তার দুই মেয়েই এখন গ্রেফতার হয়ে লিবিয়ার ত্রিপলি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার এক পাঁচ মাস বয়সী নাতনিও গ্রেফতার রয়েছে।
যেহেতু তারা আইএসের মতবাদের সঙ্গে এক হয়েছেন, সুতরাং আর বলে লাভ নেই। আইএস তাদের আর ফিরতে দেবে না। আইএস’ই তাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা। তাদের বাবা-মা, শাসক, স্বপ্ন-আশা সবকিছুই এখন আএসকে নিয়ে বলেও জানান উলফা হামরুহানি।
ওএফ





