বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সর্বশেষ প্রদেশ ইদলিবে মিত্রদেশ রাশিয়া ও ইরানের সহায়তায় হামলা না চালাতে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে সতর্ক করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এতে অঞ্চলটিতে ব্যাপক মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে। তিনি এটাকে অপরিণামদর্শী হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
এ ধরনের হামলায় লাখ লাখ লোক নিহত হতে পারে বলে সোমবার সতর্ক করেছেন তিনি।
এক টুইটে ট্রাম্প লিখেছেন, রুশ ও ইরানিরা সম্ভাব্য এই মানবিক বিপর্যয়ে অংশ নিতে গিয়ে গুরুতর মানবিক ভুল করতে যাচ্ছে। লাখ লাখ লোক নিহত হতে পারে। এটি হতে দেয়া যায় না!
সম্প্রতি একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইদলিব পুনরুদ্ধার করতে ধাপে ধাপে আক্রমণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আসাদ।
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় এই প্রদেশটি ও এর আশপাশের এলাকাগুলো আসাদের বিরুদ্ধে লড়াইরত বিদ্রোহীদের দখলে থাকা শেষ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এই এলাকাগুলোতে প্রায় ৩০ লাখ বেসামরিক লোক বসবাস করে।
সাত বছর ধরে চলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে প্রেসিডেন্ট আসাদকে সমর্থন দিয়ে আসছে মিত্র রাশিয়া ও ইরানের বাহিনীগুলো।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইদলিবে যে কোনো সরকারি আক্রমণকে সিরিয়া যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি হিসেবে দেখে ওয়াশিংটন এবং মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করছে যে, দামেস্ক কোনো রাসায়নিক হামলা চালালে ওয়াশিংটন তার জবাব দেবে।
সোমবার রাতে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি টুইটারে লিখেছেন, সব চোখ এখন ইদলিবে আসাদ, রাশিয়া ও ইরানের পদক্ষেপের দিকে।
জাতিসংঘ ও সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, ইদলিবে সিরিয়ার পূর্ণমাত্রায় হামলায় ব্যাপক মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে। এবং সেটি এমন মাত্রায় পৌঁছাবে যে দেশটির সাত বছরের যুদ্ধে যা এখনও ঘটেনি।
রাশিয়া ও ইরান বলেছে, ইদলিবের উগ্রপন্থীদের অবশ্যই পরাজিত হতে হবে। সরকারি বাহিনীর যে কোনো হালায় সমর্থন দেয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।
এমআর





