প্রথমত, তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপ করতে চায়; এবং দ্বিতীয়ত, তারা দৃশ্যত এই অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনীকে সরিয়ে নিতে চায়।
এখন মূল প্রশ্ন হলো, এই টোল যুদ্ধজাহাজের ওপরও প্রযোজ্য হবে কিনা।
যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের জন্য এটি একটি অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। কারণ, এই নৌবহরটি পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর, লোহিত সাগর এবং ভারত মহাসাগরের অংশবিশেষসহ বিশাল জলসীমার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।
যুদ্ধবিরতিকে ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’ বললেন ইসরাইলের বিরোধী নেতাযুদ্ধবিরতিকে ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’ বললেন ইসরাইলের বিরোধী নেতা
হরমুজ প্রণালি ছাড়াও, পঞ্চম নৌবহর লোহিত সাগরের উত্তর প্রান্তের সুয়েজ খাল এবং দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথগুলোরও তত্ত্বাবধান করে।
সিঙ্গাপুরের এস. রাজারত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষণা ফেলো কলিন কোহ বলেন, ‘যদি টোল দিতে হয়, তবে তা স্পষ্টতই (পারস্য) উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বাধাগ্রস্ত হবে।
কোহ বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেন্টকমের পুরো অবস্থান পরিবর্তন না করেন, তবে এই টোল ব্যবস্থা মেনে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
সূত্র: সিএনএন
এমএম