এসময় তিনি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী তরুণদের বিষয়টি যৌক্তিকভাবে ভাবার আহ্বান জানান।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জাতীয় পতাকা বহনকারী বিক্ষোভকারীদের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে কে তাদের দেশের যে কোনো জায়গায় জাতীয় পতাকা রাখতে সক্ষম হন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে।
এ সময় মাহিন্দা রাজাপাকসে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কাজে বাঁধা না দেওয়ারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বানও জানান তিনি।
রাজাপাকসে বলেন, তার সরকার দেশের সংকট কাটাতে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন যদি ২২৫ জন সংসদ সদস্যকে প্রত্যাখ্যান করার স্লোগান দেওয়া হয়, তাহলে সম্প্রতি অতীতের দিকে নজর দিলেই এর বিপদসংকেত বোঝা যাবে।
আন্দোলনকারী তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই দেশকে যেন আর অতীতের দিকে টেনে না নিয়ে যাওয়া হয়।
বিদ্যুৎ বিভ্রাট, গ্যাস ও পানির তীব্র সংকট, খাদ্য সংকট, প্রয়োজনীয় পণ্যের আকাশচুম্বী দামসহ নানা সমস্যার বেড়াজালে আটকা পড়েছে শ্রীলঙ্কার মানুষ।
শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা বলছেন, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়েনি দেশটির অর্থনীতি।
দেশটিতে অর্থনীতি ধসে পড়ার জন্য সরকারকে দায়ী করে বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) রাতে কলম্বোর মিরিহানায় প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের ব্যক্তিগত বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ শুরু করে কয়েকশ মানুষ। এতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিক্ষোভকারীদের। শেষ পর্যন্ত টিয়ার শেল আর জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত হন অন্তত ৫০ জন। আটক করা হয় আরও ৫০ জনের মতো আন্দোলনকারীকে। সূত্র: দ্য আইল্যান্ড ডট আইকে।
এইচএন





