প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর এই মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১০ লাখ ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজ (০৪ অক্টোবর) রোববার সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯২ হাজার ৩৩০ জনে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ ৩১ হাজার ৫৭৬ জনের। আর এ পর্যন্ত সেরে উঠেছে ২ কোটি ৪১ লাখ ৬৭ হাজার ২২৩ জন।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। আজ (০৪ অক্টোবর) রোববার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ লাখ ৭৯ হাজার ৮৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৩৩৫ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৪৮ লাখ ৮০ হাজার ৫২৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮৮ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। আজ (০৪ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৪৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৮৪২ জনের।

মৃত্যু বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী মেক্সিকো চতুর্থ স্থানে থাকলেও আক্রান্ত বিবেচনায় দেশটির অবস্থান ৯ নম্বরে। মেক্সিকোতে আজ (০৪ অক্টোবর) রোববার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৭৮ হাজার ৮৮০ জনের।

এদিকে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ১৬ জন ও নারী ৫ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৩২৫ জন।

একইদিনে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ১৮২জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৫ জন। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি।

শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৪২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৮০ হাজার ৬৯ জন।

এমবি