মিশরে হামাসকে নিষিদ্ধ করেছেন মিশরের একটি আদালত। একইসঙ্গে সংগঠনটির সব ধরনের তৎপরতা ও সম্পত্তি জব্দেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগে আদালতে হামাসের বিরুদ্ধে মামলা করেন একজন মিশরি আইনজীবী। মঙ্গলবার মামলাটির শুনানি শেষে আদালত তার রায়ে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করেন।
হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি এক প্রতিক্রিয়ায় এ রায়ের নিন্দা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে জুহরি বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত ভাবমর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করবে।’
জুহরি বলেন, ‘এ রায় ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনবিরোধী মনোভাবেরই প্রতিফলন।’
হামাসের সিনিয়র নেতা বাসাম নাঈম বলেছেন, এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপ প্রতিরোধ আন্দোলনের ক্ষতি করবে এবং দখলদার ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করবে।
এর আগে ডিসেম্বরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে মিশরের অন্তর্বর্তী সরকার। তবে দেশটির নতুন সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২০১৩ সালের ৩ জুলাই মিশরের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসিকে সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
১৯৮০ এর দশকে ফিলিস্তিনে প্রতিষ্ঠিত হয় হামাস। ইতোমধ্যে দলটিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে মিশরের বর্তমান সরকার।
মিশরের সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার বরারবই অভিযোগ করে আসছে, হামাসের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করছে মুসলিম ব্রাদারহুড।
[b]ঢাকা, ৫ মার্চ (টাইমনিউজিবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]