ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মিশাল বলেছেন, নিজেদের দাবির প্রতি অনড় রয়েছে তার সংগঠন এবং যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরুর আগেই গাজার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে হবে।
তিনি বলেছেন, গাজার সমস্ত ক্রসিং পয়েন্ট খুলে দিতে হবে। এ ছাড়া, গাজায় বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর চালু করার অধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এগুলো কোনো শর্ত নয় বরং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার।
২০০৭ সাল থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবরোধের কবলে পড়ে রয়েছে গাজা উপত্যকা এবং সেখানকার ১৮ লাখ মানুষের জীবন মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। গাজা উপত্যকায় দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন বেকারত্ব এবং জীবনমানের মারাত্মক অবনতি হয়েছে।
খালেদ মিশাল আরও বলেন, “আমরা গাজায় অর্থনৈতিক লেনদেন চালু করতে চাই যাতে জাতীয় ঐক্যের সরকারের জন্য সমস্যা তৈরি না হয়, পশ্চিম তীরে লোকজন ধরপাকড় করা বন্ধ করতে হবে, ইসরাইলের কারগারে থাকা বন্দিদের মুক্তি এবং গাজা ও পশ্চিম তীরের মধ্যে মুক্তভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করার অধিকার দিতে হবে। এছাড়া, এ দুটি অঞ্চলের মধ্যে জনগণ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।"
খালেদ মিশাল আবারো জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলি শত্রুকে মোকাবেলার একমাত্র উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। অবরুদ্ধ গাজার ওপর ইসরাইলের বর্বর গণহত্যার বিষয়ে নীরব থাকায় খালেদ মাশআল জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করেন। সূত্র: আইআরআইবি
ঢাকা, ২৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ





