ভারতের উত্তর প্রদেশে ভেজাল মদ পানে একই পরিবারের চার সদস্যসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৩৯ জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মদ খাওয়ার পর থেকেই তাদের অসুস্থ হওয়ার খবর আসতে শুরু করে। ২৭ মে সোমবার রাতে রাজ্যের বারাবংকি জেলার রামনগরে এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করে ওয়াশিংটন পোস্ট।
পুলিশ কর্মকর্তার রাজেশ কুমার বলেছেন, সোমবার রাতে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বারবানকি জেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, ভুক্তভোগীরা একটি রাষ্ট্র পরিচালিত দোকান থেকে মদ কিনে পান করেছিলেন।
রাজেশ বলেন, ওই ব্যক্তিরা মদ খাওয়ার পর বাড়ি চলে যায়। বাড়ি গিয়ে তারা বমি করতে শুরু করে। কয়েকজন তাদের বাসায়ই মারা যায় এবং অপর কয়েকজনের হাসপাতালে মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছে। তারা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ব্যক্তিদের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। এদিকে এই মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার জন্য ১০ জন সরকারি কর্মকর্তা ও দুজন পুলিশকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে আসাম রাজ্যে দুটি পৃথক ঘটনায় ভেজাল মদ খেয়ে ১৫০ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে প্রায় ২০০ মানুষকে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই চা বাগানের শ্রমিক ছিলেন।
উল্লেখ্য, ভারতে ভেজাল মদ খেয়ে প্রায়ই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। কারণ সেখানকার গরিব মানুষরা লাইসেন্স করা ব্রান্ডের মদ কিনতে পারেন না। ভেজাল মদ দামে সস্তা। তাই এসব মানুষের ঝোঁক এর প্রতি খুব বেশি।
এএস





