অনুসন্ধানী ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বলেছেন, সার্চ ইঞ্জিন গুগোলের চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিখ স্কিমিট মার্কিন সরকারের অনুচর এবং আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী অভিলাষ পূরণে মদদ দিচ্ছেন তিনি।
"হোয়েন গুগোল মিট উইকিলিকস" নামের আসন্ন প্রকাশিতব্য বইয়ে এ কঠোর সমালোচনা করেছেন অ্যাসাঞ্জ। তার এ বইয়ের অংশ বিশেষ মার্কিন খ্যাতনামা সাপ্তাহিক নিউজ উইক প্রকাশ করেছে।
ফ্রি নানা সেবা দিয়ে গুগোলের একটি বিশেষ ভাবমর্যাদা তৈরি হয়েছে। কিন্তু গুগোলের প্রচলিত এই ভাবমর্যাদায় স্পষ্ট ভাষায় আঘাত করেছেন অ্যাসাঞ্জ।
তিনি বলেন, কেউই স্বীকারই করতে চান না যে গুগোল একটি বৃহৎ এবং খারাপ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ভৌগলিক ভাবে আগ্রাসী মেগা করপোরেশনে পরিণত হয় গুগোল।
এ ছাড়া, রাজনৈতিক ভাবে স্পর্শকাতর যে সব দেশ এরিখ স্কিমিট সফর করেছেন তার তালিকা তুলে ধরেন তিনি। স্কিমিটকে গুগোলের ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।
বিশ্ব জুড়ে প্রভাব বিস্তার করে গুগোল শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যে পরিণত হতে চাচ্ছে বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন অ্যাসাঞ্জ।
বিশ্বব্যাপী মার্কিন আগ্রাসী তৎপরতা ও অপকর্ম ফাঁস করে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়া অ্যাসাঞ্জ গত দু'বছরের বেশি সময় ধরে ব্রিটেনের ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান করছেন।
কথিত ধর্ষণের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্রিটিশ সরকার অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করলে ২০১২ সালের জুন মাসে তিনি ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নেন।
টানা দু'বছর তার পেছনে নজরদারি বাবদ ব্রিটিশ জনগণের দেয়া কর থেকে এক কোটি ১২ লাখ ডলার ব্যয় করেছে দেশটির সরকার। রেডিও তেহরান
ইআর





