অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ঘোষিত ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি থেকে একচুলও নড়বেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন প্রশ্নে পুরো যুক্তরাষ্ট্র একদিকে আর তিনি আরেক দিকে। যেন পণ করেছেন, যে করেই অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করে ছাড়বেন তিনি।
দেশটির সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে স্ত্রী ও ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ও সাবেক ফার্স্টলেডি লরা বুশ পর্যন্ত তার এ নীতির সমালোচনা করলেও সেদিকে কর্ণপাত করছেন না তিনি। হুঙ্কার দিয়ে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘অভিবাসী শিবিরে’ পরিণত হবে না।
এবার তিনি হাত দিতে যাচ্ছেন ‘অভিবাসীদের অভয়ারণ্য’খ্যাত শহরগুলোতে। শিগগিরই এ অভয়ারণ্য শহরগুলোর সীমানা সংকুচিত করার আইনি লড়াইয়ে নামছে তার প্রশাসন।
২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারণায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অঙ্গীকার করেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেয়ার পরপরই একে একে পদক্ষেপ নিতে থাকেন তিনি।
১৫ থেকে ২০ বছর ধরে বসবাস করে আসলেও হাতে হাতকড়া পরিয়ে বিমানে তুলে তাদের পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে নিজ দেশে। এভাবে মাত্র দেড় বছরে কয়েক লাখ অভিবাসীকে জোর করে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি ঘোষণা করা হয়। এ নীতির আওতায় বাদ যাচ্ছে না শিশু-কিশোররাও। অভিবাসী বাবা-মায়েদের কোল থেকে টেনে নিয়ে তাদের আলাদা করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের অভিবাসন উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার সোমবার জানিয়েছেন, যে কোনো উপায়েই হোক বৈধ ও অবৈধ সব ধরনের অভিবাসন বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের।
এদিকে ট্রাম্পের পরিবার বিচ্ছিন্নকরণ নীতির বিরুদ্ধে আগামী ৩০ জুন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে দেশটির জনগণ।
অধিকারকর্মীদের আয়োজনে রাজধানী ওয়াশিংটনের লেফায়েত স্কয়ারকে কেন্দ্র করে এ বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।
এমআর





