ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো থেকে রুশ সেনারা সরে গেলেও বিভিন্ন স্থানে এখনও হামলা চলছে। এমন অবস্থায় হঠাৎ করেই ইউক্রেন সফরে গিয়ে চমকে দিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শুধু তাই নয়, প্রেসিডেন্ট জেলিলস্কির সঙ্গে রাজধানী কিয়েভের রাস্তাও ঘুরে দেখেছেন তিনি।
গতকাল শনিবার (৯ এপ্রিল) অনির্ধারিত সফরে গিয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকও করেন বরিস জনসন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিটের বরাত দিয়ে বিবিসি আরও জানিয়েছে, ইউক্রেনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রদর্শনের জন্য এই সফর করেন বরিস জনসন। সফরে ইউক্রেনকে আর্থিক ও সামরিক সহযোগিতা দেওয়ার নতুন প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ২০০৮ সাল থেকে আবেদন করে ইউক্রেন। মূলত, এ নিয়েই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। তবে সম্প্রতি ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করায় দ্বন্দ্বের তীব্রতা আরও বাড়ে। ন্যাটোর সদস্যপদের আবেদন প্রত্যাহারে চাপ প্রয়োগ করতে যুদ্ধ শুরুর দুই মাস আগ থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রাখে মস্কো। কিন্তু এই কৌশল কোনো কাজে না আসায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া। ঠিক তার দুদিন পর ২৪ তারিখ ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে। তথ্যসূত্র : বিবিসি।





