নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান সদস্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট সদস্যা হিলারি ক্লিনটনের বাক্-যুদ্ধ অব্যাহত। ট্রাম্পকে ‘প্রতারক’ বলে আক্রমণ শানিয়েছেন হিলারি।
এবার ট্রাম্প বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কেলেঙ্কারি’র ঘটনাকে হাতিয়ার করেছেন এই প্রাক্তন মার্কিন ‘ফার্স্ট লেডি’। নিউ জার্সির একটি নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ট্রাম্প নিজের নামে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে শিক্ষার্থীদের লাভজনক কোর্সের প্রলোভন দেখিয়ে কীভাবে আয় করতেন, তা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল নথি প্রকাশ করে দেখিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প একজন ‘জালিয়াত’।
ট্রাম্প ইউনিভার্সিটি সেই অর্থে বিশ্ববিদ্যালয় নয়। ধনকুবের ট্রাম্প প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান প্রথম দিকে রিয়েল এস্টেট বিষয়ে ওয়েবভিত্তিক আলাপ-আলোচনা চালাত। কোনও সনদ দেওয়ার এক্তিয়ার ছিল না এই প্রতিষ্ঠানের। ট্রাম্প বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীরা প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে শিক্ষার্থীদের রিয়েল এস্টেট বিষয়ক কোর্স করতে বাধ্য করতেন।
‘রিয়েল এস্টেট জায়ান্ট’ ট্রাম্পের বিদেশনীতি নিয়েও সমালোচনায় মুখর হন হিলারি ক্লিনটন। ট্রাম্প প্রচারে হম্বিতম্বি করলেও কাজের কাজ কিছু করতে পারবেন না বলে দাবি এই ডেমোক্র্যাট সদস্যার। ট্রাম্পের মুসলিম নীতি নিয়েও এদিন সমালোচনার সুর শোনা গিয়েছে হিলারির গলায়।
এদিকে, ছাড়ার পাত্র নন ট্রাম্পও। তিনি সুর চড়িয়ে ক্লিনটন-পত্নীকে পালটা আক্রমণ করে বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনও যোগ্যতাই নেই হিলারির। সত্যি বলতে তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী দৌড়ে দাঁড় করানোই উচিত হয়নি। এটা আমাদের দেশের আইনের লজ্জা। তিনি যে কী করছেন, কী বলছেন! তিনি নিজেই জানেন না!’
অন্যদিকে, রিপাবলিকান সদস্য ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের প্রচারে নিজের বিজ্ঞাপন চালিয়ে যাচ্ছেন বলে কটাক্ষ করেছেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। পাশাপাশি, রিপাবলিকানদের মধ্যে ট্রাম্প বেশ রঙিন চরিত্র বলেও মজা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইন্ডিয়ানায় এক ভাষণে ট্রাম্পের প্রসঙ্গ তুলে বলতে গিয়ে মাঝে মাঝে তাচ্ছিল্যের হাসিও দেখা যায় ওবামার মুখে।
জেড





