সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে সুউচ্চ একটি হোটেল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ের কেন্দ্রস্থলে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুরুজ খলিফার অদূরে ‘অ্যাড্রেস’ হোটেলের ওপরের দিকের কয়েকটি তলায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে আহত হয়েছেন ১৪জন।
টেলিভিশনের চিত্রে আগুনের ভয়াবহতা ব্যাপক পরিলক্ষিত হয়। ওই সুউচ্চ ভবনের মধ্যাংশের কয়েকটি তলায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। সিএনএন
দুবাই সরকারের পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয়েছে, ওই ভবনের ২০তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে ১৪জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন দৌঁড়ে পালানোর সময় হার্ট অ্যাটাকে আক্রন্ত হয়। এক সংবাদে জানা যায় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেছে। তবে সরকারি সূত্রে এ ব্যাপারে সরকারি কোনো কিছু জানা যায়নি।
সরকারি সূত্র জানায়, প্রাথমিক খবরে জানা গেছে ভবনের ২০তম তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা আরো কয়েকটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। আগ্নিকাণ্ডের কারণে পুরো ভবন ধোয়ায় আছন্ন হয়ে গেছে। এঘটনার পর ভবনের নিজস্ব অগ্নি নির্বাপক কর্মীরাসহ বেশ কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছে।
অ্যাড্রেস হোটেলকে দুবাইয়ের অন্যতম প্রধান পাঁচতারকা হোটেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুরুজ খলিফা থেকে এর দূরত্ব সামান্যই। ভবনটিতে একটি বিলাসবহুল হোটেলের পাশাপাশি বহু অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স রয়েছে।
দুবাইয়ের বাসিন্দা মাহাআবু আবু আল নেবিন সিএনএনকে জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি তার পরিবারকে নিয়ে হোটেলে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন। তিনি সে সময় সামান্য ধোঁয়া দেখতে পান। প্রথমে এটিকে রান্নার ধোঁয়া বলে মনে করা হয়েছিল। তিনি বলেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই বোঝা যায়, এটি আসলে অগ্নিকাণ্ড। এরপরে তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন। হোটেলের কর্মচারীদের সহযোগিতায় তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, নববর্ষ উপলক্ষে পাশের বুর্জ খলিফা ভবন থেকে মধ্যরাতে বিরাট আতশবাজি প্রদর্শনী শুরু হওয়ার আগে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই আতশবাজি দেখতে ২০ লাখের মতো মানুষের দুবাইয়ের মধ্যাঞ্চলে জড়ো হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর আতশবাজির প্রদর্শনী দেখতে জড়ো হওয়া লোকজনকে সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়। ওই হোটেল ভবনসহ আশপাশের দুবাই মলসহ অন্যান্য ভবন থেকেও লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এমএম





