থাইল্যান্ড থেকে ফেরত পাঠানো উইঘুর মুসলিমদেরকে বিনা বিচারে এক মাস ধরে আটক রেখেছে রাখছে চীন কর্তৃপক্ষ। চীন জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগাযোগ আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১০৯ জন উইঘুরবাসী থাই ও চাইনিজ পুলিশের সঙ্গে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তাদেরকে শাস্তি দেয়া হতে পারে - এমন ভয়ের মধ্যেই গত মাসে জোরপূর্বক তাদেরকে চীনে ফেরত পাঠায় থাইল্যান্ড।
গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা দাবি করেছে, কয়েকজন উইঘুর পরিকল্পনা করেছিল যে তারা থাইল্যান্ড থেকে তুরস্ক হয়ে প্রতিবেশী ইরাক ও সিরিয়ায় যুদ্ধ করতে যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্য থেকে ১৩ জনের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
তবে পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়নি, কেন নারী ও শিশুসহ অন্যদেরকে চীনে ফেরত পাঠানোর পর এক মাস ধরে বন্দী রাখা হয়েছে।
উইঘুর অধিবাসীরা তুর্কি ভাষায় কথা বলে এবং চীনের দখলে থাকা পূর্ব তার্কিস্তানের মুসলিম সম্প্রদায়।
গত ৯ জুলাই থাইল্যান্ড গণহারে উইঘুরদেরকে চীনে ফেরতে পাঠালে আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হয়। কারণ চীন কর্তৃপক্ষ তাদের উপর দমন-পীড়ন চালাতে পারে- এমন সম্ভাবনা ছিল।
জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক এজেন্সি এটা আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছিল।
জেডআই





