এখন থেকে ২২৭ বছর আগে ১৭৮৯ সালে স্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হন জর্জ ওয়াশিংটন। তারপর থেকে বারাক ওবামা পর্যন্ত ৪৩ জন ব্যক্তি এ পদে এসেছেন। যাদের সবাই পুরুষ ।
এবার ইতিহাসে নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ২২৭ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে হিলারি ক্লিনটন এক নতুন সূর্য। পুরুষালি রাজনীতির বেড়ি ভেঙে তিনি হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন হিলারি ক্লিনটন। প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ফার্স্ট লেডি হিলারি প্রার্থিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ডেলিগেটের সমর্থন পেয়ে গেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ডেলিগেট সংখ্যার হিসাব দেখিয়ে বলেছে, হিলারিই হচ্ছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী।
এপির হিসাব মতে, দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিশ্চিত করতে ২ হাজার ৩৮৩ ডেলিগেটের সমর্থন প্রয়োজন হয়। হিলারি তা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন । ফলে তিনিই ডেমোক্রেটিক পার্টির টিকিট পাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে হিলারিই হবেন প্রথম নারী, যিনি কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাচ্ছেন। এ পর্যন্ত কোনো মার্কিন নারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হননি।
হিলারির একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বার্নি স্যান্ডার্স দাবি করেছেন, হিলারি এখনো জয়ী নন। তার জয়ের জন্য সুপার ডেলিগেটদের হিসাবে আনা হয়েছে। কিন্তু সুপার ডেলিগেটরা জুলাইয়ে দলের জাতীয় কনভেনশনের আগে ভোট দিতে পারবেন না।
সোমবার রাতে এপির খবরে জানানো হয়েছে, পুয়েত্রো রিকোর প্রাইমারিতে হিলারির নিরঙ্কুশ জয় এবং একসঙ্গে বেশ কয়েকজন সুপার ডেলিগেট হিলারিকে সমর্থন দেওয়ায় হিলারি প্রয়োজনীয় ডেলিগেট নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
ডেমোক্রেটিক পার্টিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, এমন কিছু নেতা সুপার ডেলিগেটের মর্যাদা পান। জাতীয় কনভেনশনের আগে সুপার ডেলিগেটরা ভোট দিতে না পারলেও তারা পছন্দের প্রার্থীকে আগেই সমর্থন জানাতে পারেন। এ বছর অধিকাংশ সুপার ডেলিগেটের সমর্থন পেয়েছেন হিলারি।
এফএফ





