কার্গো বিমান দুর্ঘটনার দুই সপ্তাহ পর অবশেষে তিন ভাগ্যহত ইউক্রেন নাগরিকের মরদেহ স্বদেশে নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের হিমঘর থেকে এই তিন বিদেশি নাগরিকের মরদেহ দেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য গ্রহণ করেছেন তাদের স্বজনরা।

তিন বিদেশির মরদেহ হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসনের পক্ষে সহকারী কমিশনার মোজাম্মেল হক রাসেল, পুলিশ সুপারের পক্ষে পুলিশের উপ পরিদর্শক আবদুর রহিম ও সিভিল সার্জনের পক্ষে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতান আহমদ সিরাজী।

অপরদিকে ইউক্রেন বিমানটির বাংলাদেশি বেসরকারি এজেন্ট মেসার্স ট্রু এভিয়েশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপক হাশমত জাহান মরদেহ গ্রহণ করেন।

মেসার্স ট্রু এভিয়েশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপক হাশমত জাহান জানান, ‘বাংলাদেশে ইউক্রেনের কোন দূতাবাস নেই। তবে দেশটির বাংলাদেশস্থ কনস্যুলারের ঐকান্তিক সহযোগিতায় দিল্লীতে অবস্থিত ইউক্রেন দূতাবাস থেকে যাবতীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এ কারণে বিলম্ব হয়েছে।’

তিনি জানান, কক্সবাজার থেকে মরদেহ তিনটি প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে নিয়ে পচন প্রতিরোধের ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এরপর রাজধানী ঢাকা বিমানবন্দরে নিয়ে বিমানযোগে স্বদেশে পাঠানো হবে।

গত ৯ মার্চ সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পর ইউক্রেনের এএন-২৬ কার্গো বিমানটি বিমানবন্দরের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক সমুদ্র পয়েন্টে বিধ্বস্ত হয়। এতে পাইলট সহ তিন বিদেশি নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন বিদেশি।

এসটি