গ্রিসে শরণার্থী শিবিরগুলোতে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। এমনকি সাত বছরের শিশুরাও নিপীড়ন থেকে রেহাই পাচ্ছে না। নজরদারি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

শরণার্থী শিবিরগুলোতে বাস করা নারীরা অভিযোগ করেছেন, পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ পর্যায়ে নেমেছে যে রাতের বেলা শিশু ও কিশোরীরা তাদের তাবুর বাইরেও যেতে চায় না।

গত মে মাসে মেসিডোনিয়া সীমান্তে ইদোমেনি শিবিরটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেসালোনিকি শহরের কাছে সরকারের উদ্যোগে একাধিক শরণার্থী শিবির খোলা হয়। এই এলাকায় টয়লেট টিস্যু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সফ্টেক্সের সাবেক একটি ফ্যাক্টরিতে যে শরণার্থী শিবিরটি গড়ে তোলা হয়েছে, এটি গ্রিস সরকার পরিচালনা করে। এই শিবিরটি অবস্থা এতোটাই ভয়াবহ যে, প্রাকৃতিক ক্রিয়া সারতে নারীরা একাকী টয়লেটেও যেতে চায় না।

সফ্টেক্স শিবিরে ১ হাজার ৪০০ শরণার্থী রয়েছে, যাদের অধিকাংশেই সিরিয়। অভিযোগ রয়েছে, পুরুষদের একটি গ্যাঙ শিশু ও কিশোরীদের উঠিয়ে নিয়ে যায় এবং তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। শিবিরে কাজ করা এক স্বেচ্ছাসেবী জানান, এক ইরাকি পরিবারকে তাদের সাত বছরের কন্যা শিশুকে তার মোবাইল ফোনে গেমস খেলার কথা বলে নিয়ে যায়। শিশুটি যখন তাবুতে ফিরে আসে তখন তার গলায় ও হাতে নির্যাতনের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনার পর ওই পরিবারটি দ্রুত শিবির ছেড়ে চলে যায়। তারা এখন ইউরোপে আশ্রয় নেওয়ার পরিবর্তে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে ফিরে যেতে চাইছে।

লেবার পার্টির শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান ও এমপি ইয়েত্তি কুপার বলেছেন, ‘ আমাদের সবার লজ্জিত হওয়া উচিৎ। তিনি দ্রুত শিশুদের রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেড