আমেরিকায় পুলিশের বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশটির প্রায় ৬০টি শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। পুলিশ বর্বরতা বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিবাদ দিবসের অংশ হিসেবে এ সব বিক্ষোভ হয়েছে।
পুলিশি বর্বরতার প্রতি ইংগিত করে তারা একযোগে শ্লোগান দেয়, "আমি শ্বাস নিতে পারছি না"।
আমেরিকাব্যাপী এ বিক্ষোভের আয়োজন করেছে গণ নির্যাতন বন্ধের বিরুদ্ধে তৎপর সংস্থা "স্টপ মাস ইনকারসারেশন নেটওয়ার্ক"।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিউ ইয়র্কের টাইম স্কয়ারে বিক্ষোভ শোভাযাত্রায় শত শত মানুষ অংশ নিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন পুলিশ বাহিনীতে সংস্কারের দাবি জানায়।
এ ছাড়া নিরীহ মানুষ হত্যার সঙ্গে জড়িত পুলিশদের ন্যায় বিচার দাবি করে তারা। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে পুলিশের হাতে নিহত এরিখ গারনারের প্রতিকৃতি বহন করেছে বিক্ষোভকারীরা।
এ ছাড়া, ২০ বছর আগে পুলিশের গুলিতে নিহত এক ছেলের বাবা'নিকোলাস হেওয়ার্ড' এবং ২০১২ সালে নিহত ছেলের মা'হাওয়া বা'সহ পুলিশের হাতে নিহত অনেক ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনরা বিক্ষোভ যোগ দিয়েছেন।
পুলিশ গলা চেপে ধরায় দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছিল এরিখ গারনার এবং আমি শ্বাস নিতে পারছি না বলে চিৎকার করার চেষ্টা করেছিল।
এরিখের এই শেষ আর্ত চিৎকারকে শ্লোগান হিসেবে ব্যবহার করেছে নিউ ইয়র্কের বিক্ষোভকারীরা । পুলিশি বর্বরতার প্রতি ইংগিত করে তারা একযোগে শ্লোগান দেয়, "আমি শ্বাস নিতে পারছি না"।
এদিকে জর্জিয়ার আটলান্টায় বিক্ষোভকারীরা ব্যস্ত সড়ক অবরোধ করেছিল। এ ছাড়া, ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে রাস্তায় শুয়ে পুলিশ বর্বরতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে ক্ষুব্ধ জনতা।
আমেরিকায় সম্প্রতি পুলিশি বর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ সব বর্বরতার শিকার হচ্ছে দেশটির কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ। মিসৌরির ১৮ বছরের তরুণ মাইকেল ব্রাউনসহ অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশটিতে পুলিশি বর্বরতা বৃদ্ধির বিষয়টি ফুটে উঠছে।
অবশ্য এ সব হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গণ প্রতিবাদ সত্ত্বেও মার্কিন পুলিশ বাহিনীতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। বরং যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সরঞ্জাম মার্কিন পুলিশকে মাগনা যোগান দিচ্ছে পেন্টাগন।সূএ: রেডিও তেহরান
ইআর





