তিনি নাইজেরিয়ার সরকারি এক আমলা। বাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের কথা প্রতিবেশীরা তাকে অনেক আগে থেকেই জানিয়ে আসছিল।

প্রথম দিকে তেমন গায়ে মাখেননি। কিন্তু ক্রমশঃ স্ত্রীর আচরণে পরিবর্তন আসতে লাগলো। আগে বাসায় দেরী করে আসলে রাগারাগি করতো, এখন করে না।

সন্দেহ হয় ওই আমলার। তাই একদিন সত্য জানতে সাজালেন 'নাটক'। তাতেই প্রতিবেশীদের অভিযোগ নির্মম সত্য হয়ে সামনে হাজির হলো। বাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় স্ত্রীকে ধরে ফেলেন তিনি। এরপর পুরো মহল্লায় প্রেমিকসহ নিজের স্ত্রীকে উলঙ্গ করে হাঁটান তিনি। ঘটনাটি গোটা নাইজেরিয়ায় আলোড়ন তোলে।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে হঠাৎ করেই কাজের ফাঁকে স্ত্রীকে না বলে তিনি বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। বাড়ির কাছে এসেই দেখেন, স্ত্রী সুসানের গাড়ির ড্রাইভার দরজা ঠেলে বাড়ির ভিতরে ঢুকছে। এই দেখে তিনি কয়েকমিনিট পরে পিছনের দরজা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে সোজা বেডরুমে চলে যান। সেখানে ড্রাইভারের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছিল তার স্ত্রী সুসান।

এরপরই রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন ওই সরকারি আমলা। পকেট থেকে রিভলবার বের করে দু'জনকেই উলঙ্গ অবস্থায় বাড়ির বাইরে বের করে রাস্তায় নামিয়ে আনেন। ওই অবস্থায় পুরো এলাকায় হাঁটান।

আশপাশের লোকজনও সঙ্গে যোগ দেয়। কেউ কেউ লজ্জ্বায় মুখ ফিরিয়ে নেয়। এক্ষেত্রে একপক্ষ ওই আমলার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জোগালেও অনেকেই বিষয়টার সমালোচনা করেছেন।

শুধু তাই নয় ৩ সন্তানের পিতা ওই আমলা এখন ডিএনএ টেস্ট করে দেখতে চান ওই সন্তানগুলো তারই কিনা।

এসএইচ