শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি এফ ২২ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া এআইএম-৯এক্স সুপারসনিক এয়ার টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস করা হয় বেলুনটি। সেটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নজরদারি করছিল বলে দাবি করেছে দেশটি।

এ ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি দেয় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়, ‘আমরা আগেও বলেছি—এটা পুরোপুরি বেসামরিক একটি আকাশযান (এয়ারশিপ) এবং বাতাসের গতির কারণে নিজের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে সেটি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে।’

‘কিন্তু যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে তার বিমানবাহিনী দিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে— তা রীতিমতো অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির লঙ্ঘণ। আমরা তীব্র অসন্তোষ জানাচ্ছি।’

‘সেই সঙ্গে বলছি—চীন তার বৈধ অধিকার ও স্বার্থের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না এবং অবশ্যই এ ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেবে।’

শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল, এটি আসলে একটি ওয়েদার ডিভাইস এবং পুরোপুরি বেসামরিক একটি আকাশযান। জোর বাতাসের কারণে দিকভ্রষ্ট হয়ে বেলুনটি মার্কিন আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে। বেলুন অনুপ্রবেশের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছিল মন্ত্রণালয়।

শনিবার সাউথ ক্যারোলাইনার উপকূলে বিমানবাহিনীর অভিযানের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন পেন্টাগনে এক বৈঠকে বলেন, ‘আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর চীন অগ্রহণযোগ্য আঘাত করা হয়েছে এবং এখন একটি পরিকল্পিত ও আইনসঙ্গত অভিযান চালানো আমাদের কর্তব্য।’

বেলুনটি ধ্বংসের সময় মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থান করছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছিলাম এবং তারা সফলভাবে এটি ভূপাতিত করতে পেরেছে। আমি মার্কিন বিমানবাহিনীর পাইলটদের অভিনন্দন জানাতে চাই।’

এনএইচ