ইউরোপের শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় সমাধানে আসতে পারে নি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তুরস্ক। উল্লেখ্য যে, সিরিয়া থেকে আসা ২৭ লাখের বেশি শরণার্থী বর্তমানে তুরস্কে রয়েছে।

ব্রাসেলসে বসা ঐ বৈঠক তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রীসে যেতে গিয়ে যত মানুষ নৌকাডুবিতে মারা যাচ্ছে তার সংখ্যা তারা কমিয়ে আনতে চান তারা।

কিন্তু বিনিময়ে তিনি চান তুরস্কের আশ্রয় শিবিরগুলোতে থাকা সিরিয় শরণার্থীদের একটি অংশকে যেন ইউরোপে সরাসরি আশ্রয় দেয়া হয়। উল্লেক্য যে, সিরিয়া থেকে আসা ২৭ লাখের বেশি শরণার্থী বর্তমানে তুরস্কে রয়েছে।

এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ইইউ বলছে, এই নিয়ে আরো আলোচনা প্রয়োজন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের বড় শরণার্থী সংকট সামলাতে ব্রাসেলসে তুরস্কের সঙ্গে বৈঠকে বসে ইইউ।

৩৩০ কোটি মার্কিন ডলারের ত্রাণ সহায়তার বিনিময়ে কিছু শরণার্থীকে ইউরোপ থেকে ফিরিয়ে নিতে তুরস্ককে চাপ দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

আর এই অর্থ সাহায্য দ্বিগুণ করার জন্য ইউরোপকে চাপ দিচ্ছে তুরস্ক।

আগেও সহায়তা দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে ইইউ তা পূরণ করেনি বলে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অভিযুক্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোগান

আর ন্যটো সেক্রেটারি জেনারেলের সাথে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী আহমেত দোভুতোলু শরণার্থী সংকট সমাধানে নতুন একটি প্রস্তাব ব্যখ্যা করেন।

তুর্কী প্রধানমন্ত্রী আহমেত দোভুতোলু বলেছেন, এই নতুন প্রস্তাবে আমাদের লক্ষ্য হলো শরণার্থীদের জীবন রক্ষা করা। শরণার্থীদের মরিয়া দশার সুযোগ নিয়ে যারা তাদের পাচার করছেন তাদেরকে নিরুৎসাহিত করা। মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং তুরস্ক ও ইইউ সম্পর্কের এক নতুন সময়ের উন্মোচন করা।

এছাড়াও শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় অর্থ সাহায্য বাড়ানোর পাশাপাশি তাদেরকে দ্রুত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ প্রদান এবং ইউরোপে ভিসাবিহীন ভ্রমণের সুযোগ দেবার প্রস্তাব দিচ্ছে তুরস্ক।

 

শর্তের বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে ইউরোপীয় পার্লামান্টের প্রেসিডেন্ট মার্টিন শালজ বলেন, এই বিষয়ে কোনো প্রকার পূর্বশর্ত আরোপ করা চলবে না।

 

এমআইএস।