অপরিশোধিত তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের বিশ্বের সবচেয়ে বড় বহরের মালিক অন্যতম তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানের একটি কোম্পানি।
এ বহরে ৪২টি সর্ববৃহৎ তেলবাহী জাহাজ বা ভিএলসিসি রয়েছে। এ সব জাহাজের প্রতিটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল বহন করতে পারে।
ইরানের ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানি বা এনআইটিসি’র বাণিজ্য বিষয়ক পরিচালক নাসরুল্লাহ সারদাশ্তি এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের আর কোনো কোম্পানি এতো বেশি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা ভিএলসিসি নেই।
এদিকে তেলবাহী ট্যাংকারের সংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ লন্ডন-ভিত্তিক এক বিশ্লেষক দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, তিনি মনে করেন- বিশ্বে সর্ববৃহৎ তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের বহরের মালিক এনআইটিসি।
এ দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ইরানি কোম্পানির প্রতিদ্বন্দ্বী জাপানের মিৎসুই ওএসকে লাইনস ও নিপ্পন ইউসেন কাইশা এবং বেলজিয়ামের ইউরোন্যাভ এনভির কাছে অল্প কয়েকটি সুপার ট্যাংকার আছে।
নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এনআইটিসি নিজ উন্নয়ন তৎপরতা বন্ধ রাখেনি। ভিএলসিসি নির্মাণের জন্য চীনা কোম্পানিকে অর্ডার দিয়েছে এবং গত আড়াই বছরে ২০ সুপার ট্যাংকার এনআইটিসি’কে দেয়া হয়েছে।
অবশ্য নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের তেল শিল্পের ক্ষতি হয়েছে এবং তেল বিক্রির পরিমাণ প্রায় অর্ধেক কমে গেছে। এ ছাড়া ভিএলসিসি’র বহর আংশিকভাবে বসে আছে।
এ সত্ত্বে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নিজ সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে ইরান। নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক বিমা সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও ইরান নিজ ক্রেতাদের তেল পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: রেডিও তেহরান।
এসএইচ





