প্রধানমন্ত্রী হাইলেমারিয়াম দেসালেনের অপ্রত্যাশিতভাবে পদত্যাগের একদিনের মাথায় ইথিওপিয়াজুড়ে ফের জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত এক বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী তুমুল বিক্ষোভ থামাতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
দেশটিতে তিন বছর ধরে চলা অস্থিতিশীলতায় কয়েকশ লোক নিহত হয়েছেন। এর আগে ১০ মাস ধরে জরুরি অবস্থা জারি করা ছিল। গত বছর ওই জরুরি অবস্থার অবসানের ঘোষণা এলেও রাজনৈতিক টানাপোড়েন শেষ হয়নি।
সরকার হাজারো বিরোধী সমর্থককে জেল থেকে মুক্তি দিয়েও বিক্ষোভ দমাতে পারেনি।
শুক্রবার থেকে জারি হওয়া নতুন এ জরুরি অবস্থার মেয়াদ কতদিন বিবৃতিতে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। নাগরিকদের কি কি অধিকার রহিত হয়েছে- তাও বলা হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে চলা বিক্ষোভ থামাতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারের ওপর চাপ ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে।
গত কয়েক সপ্তাহে বিরোধী রাজনীতিক ও তাদের সমর্থকসহ কয়েকশ কারাবন্দিকে মুক্তি দেওয়ার পরও বিক্ষোভ থামার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী হাইলেমারিয়াম পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ ঘোষণা রাজনৈতিক বিপর্যয় ও অস্থিরতার অবসানে ভূমিকা রাখবে বলেও আশা তার।
হাইলেমারিয়াম বলেন, টেকসই শান্তি ও গণতন্ত্রের জন্য যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন, আমার পদত্যাগ সে পথে ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছি।
সরকারবিরোধী এ বিক্ষোভ ২০১৫ সালের নভেম্বরে ওরোমিয়া অঞ্চলে প্রথম শুরু হয়। কিছুদিন পর আমাহারা অঞ্চলও তাতে যোগ দেয়। এ এলাকা দুটিতেই ইথিওপিয়ার বৃহৎ দুই জাতিগোষ্ঠীর বাস। সূত্র: বিবিসি।
এসএম
আরো পড়ুন....





