প্যারিস থেকে কায়রো যাওয়ার পথে মিশরের বিমানটি ধসে পড়ার আগে আকাশে দুইবার চক্কর খেয়েছিল বলে জানিয়েছেন গ্রীসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পানোস কামেনোস।
তিনি বলছেন, এয়ারবাস এ৩২০ বিমানটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যাবার আগে ৯০ ডিগ্রী বামে, আর ৩৬০ ডিগ্রী বামে ঘুরে দুইবার চক্কর বা ডিগবাজি খায়। এরপরে বিমানটি বিশ হাজার ফিট ওপর থেকে ভূমধ্যসাগরে খসে পড়ে।
গ্রীসের কার্পাথোস দ্বীপের কাছে বড় ধরণের তল্লাশি অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। গ্রীস আর মিশরের সেনাবাহিনী এই তল্লাশিতে অংশ নিচ্ছে। বিমান আর জাহাজ পাঠাচ্ছে ফ্রান্সও। কায়রোতে ফরাসী দূতাবাসে খোলা হয় ক্রাইসিস সেল।
বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে কায়রো সময় রাত আড়াইটায় মিশরের আকাশসীমায় প্রবেশের আগমূহুর্তে তাদের এয়ারবাস এ৩২০ বিমানটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বিমানটিতে তিনটি শিশুসহ ৬৬জন যাত্রী ছিলেন। এছাড়া সাত জন ক্রু ও তিনজন নিরাপত্তা কর্মী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ৩০জন মিশরের, ১৫জন ফ্রান্সের ও দুজন ইরাকি ছাড়াও ব্রিটেন, কানাডা, বেলজিয়াম, কুয়েত, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, সুদান, চাদ ও পর্তুগালের নাগরিক রয়েছেন।
এমএস৮০৪ বিমানটি যখন পূর্ব ভূমধ্যসাগরের ৩৭হাজার ফুট ওপর দিয়ে যাচ্ছিলো।
কর্মকর্তারা জানান কায়রো সময় ২টা ৪৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় ওই উড়োজাহাজটি মিশরের আকাশসীমা থেকে ১৬ কিলোমিটার দুরে আকাশে উড়ছিলো।
বিশ্বজুড়ে যাত্রীবাহী বিমানগুলোর গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি ওয়েবসাইট জানিয়েছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বিমানটি ছিল এয়ারবাস এ৩২০ বিমান।
প্যারিস সময় রাত এগারটায় ছেড়ে আসা বিমানটি রাত সোয়া তিনটায় কায়রো পৌঁছানোর কথা ছিল।-বিবিসি।
ওএফ





