ছোট একটি কক্ষ। খুব বেশি আসবাবপত্র নেই। খাট আছে। তবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এ কক্ষে বসে একটাই প্রার্থনা- রাত যেন না আসে!
দিনের নিয়মে দিন আসে, রাতের নিয়মে রাত। দিন-রাতের পালাবদলে ফিরে ফিরে আসে নির্যাতনের সময়গুলো। ভয়ংকর ধর্ষণ উন্মাদনা চলে সারা রাত।
সাংঘাতিক এই নির্যাতনের বর্ণনা এক সিরীয় কিশোরীর। ১৬ বছর বয়সি সিরিয়ার এই কিশোরী কোনমতে প্রাণে বেঁচে ফিরেছে। তবে ধর্ষণের দুঃসহ স্মৃতি তাকে তাড়া করে ফেরে। তার বিষণ্ণ দেহ আর অবসাদগ্রস্ত মনে আতঙ্ক উঁকি দেয়। এই বুঝি ধর্ষকরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে!
ইরাক ও সিরিয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্যরা নারী ও শিশুদের ওপর বর্বর যৌন নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গিরা নতুন এক পন্থা বের করেছে। যৌনদাসীদের দীর্ঘদিন শোষণ করার পরিকল্পনা হিসেবে তারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করছে। খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ঘুরছে।
অনলাইনের এক খবরে জানা গেছে, যেসব কিশোরী বা নারীর সঙ্গে যৌন সংসর্গ করছে আইএস সদস্যরা তাদের নিশ্চিয়তা দেওয়া হচ্ছে, তারা গর্ভধারণ করবে না। এ জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ দেওয়া হচ্ছে তাদের। আইএসের ভয়াবহ দুঃশাসনের সঙ্গে যোগ হলো নতুন ধরনের এই নির্যাতন।
এআইজে





