রাশিয়াকে ইউক্রেনের বিদ্রোহীদের সহায়তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটো। এ দিকে ইউক্রেনের বন্দর মারিওপোলে গোলাবর্ষণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হওয়ার পর একটি জরুরি বৈঠকের কথা বিবেচনা করছে ব্রাসেলস।

লাটভিয়া আগামী সপ্তাহে ইইউ পররাষ্ট্রবিষয়ক পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে। গত জুলাই মাস থেকে ইইউর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে লাটভিয়া।

লাটভিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ মারিওপোল নগরীতে ঘটনাবলির আলোকে বলা যায় যে, ইউক্রেন সঙ্ঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানে আগ্রহী নয় রাশিয়া।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আগ্রাসনের জন্য দায়ীদের জানা উচিত, সহিংসতা আরো জোরদার করা হলে এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সন্দেহাতীতভাবে ও তীèভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ ইউক্রেনকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা বন্ধ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান জানাতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধ ঘোরতর হয়েছে এবং রাশিয়ার সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অভিযান জোরদার করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এটা অস্ত্রবিরতির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন।’

ন্যাটো প্রধান আরো বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়া বাহিনীর উপস্থিতি আমরা দেখছি।’ মস্কো অবশ্য বরাবরই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। কিয়েভ নিয়ন্ত্রিত বন্দর মারিওপোলে শনিবার গোলাবর্ষণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়। স্বঘোষিত দোনেৎস্ক প্রজাতন্ত্রের নেতা আলেকজান্ডার জাখারচেনকো মারিওপোলে অভিযানের ঘোষণা দেয়ার পর ন্যাটো ও ইইউ এর নিন্দা জানালো।

ইইউ পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ফেডারিকা মোগেরিনি শনিবার মারিওপোলিতে রকেট হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, সহিংসতা জোরদার হলে তা ইইউ ও রাশিয়ার সম্পর্কে আরো অবনতি ঘটাবে। তিনি রাশিয়াকে সরাসরি মধ্যস্থতার আহ্বান জানান। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইইউ ইউক্রেন সঙ্কটে রাশিয়ার ভূমিকার জন্য দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ইআর