জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিদেশে অবস্থানরত দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক।

লন্ডন ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সেইভ বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক নাগরিক শোক সমাবেশ ও গায়েবে জানাযার অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে আয়োজিত শোক সমাবেশে ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের শিকার মাওলানা নিজামীর রক্ত বৃথা যেতে পারেনা।

তিনি বলেন, ৬ বছর আগে ২৯ জুন ২০১০ সালে ধর্ম অবমানার মামলায় মাওলানা নিজামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়। এটা বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন । মাওলানা নিজামীকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে ।

ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, 'মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে প্রথমে বুদ্ধিজীবী হত্যার অভিযোগ আনা হয়নি প্রসিকিউশন থেকে, পরে জিয়াউদ্দিন নামক একজনের পরামর্শে মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়। নিজামীকে প্রশ্নবিদ্ধ বিচারের মাধ্যমে হত্যা করেছে বর্তমান অবৈধ সরকার। অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘ করতেই নিজামীকে হত্যা করা হলো।'

সমাবেশে জামায়াত নেতা আরও বলেন, বিশ্বের কোনো সরকারই শেষ সরকার নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার হীন অপপ্রয়াস বাস্তবায়নের জন্যই এই রায়।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালকে আর্ন্তজাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং ন্যায়ভ্রষ্ট ট্রাইবুনাল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিব কর্তৃক ৭১ সালের একটি মীমাংসা ইস্যুকে সামনে নিয়ে এসে শেখ হাসিনা দেশে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে।

মানবাধিকার কর্মী সেভ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউরোপের মূখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা , শিক্ষাবীদ মামুনুর মোর্শেদ, শায়খ হাসিমুল আদ্দাদ হাইতাম আল হাদ্দাদ, বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরে আলম দিদার, মুফতি শাহ সদর উদ্দিন, সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশূর, জাকের আহমদ চৌধুরী, মীর আব্দুল আউওয়া তারেক, সাংবাদিক আমিমুল আহসান তানিম, মানবাধিকার সংগঠক ফরিদুল ইসলাম, মুহম্মদ এবি সেলিম, মানবাধিকার কর্মী মনিরুল হক, মুহম্মদ আলাউদ্দিন, তরিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যাক্তিবর্গ আব্দুল বাসিত, জুবাইর আহমেদ, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে মাওলানা নিজামীর জানাযায়।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে অনেক যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়েছে নুরেমবার্গ থেকে সিয়েরালিয়ন; কিন্তু মাওলানা নিজামী ৪০ দেশে থাকার পরও কেউ কোনো দিন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনেননি। সরকার আইন ভঙ্গ করেছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে ।

ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা বলেন, "দোষ করলো কে আর ফাঁসি হয় কার? দোষী ভুট্টো কে দেয়া হলো গালে চুমু ও লাল গালিচা সংবর্ধনা আর নিজামী সাহেবের হয় ফাঁসি পাকিস্তানি দোষী আর্মিদের চুক্তি করে ক্ষমার ঘোষণা করলো আর জামায়াত নেতাদের ধরে ধরে ফাঁসি দেয়া হলো! মহা অবাক করা কান্ড ! যার বিরুদ্ধে ৪২/৪৩ বছরে কেউ যুদ্ধূপরাধের অভিযোগ করলনা প্রধানবিচারপতি ওপেন কোর্ট এ বললেন নিজামী সাহেব আলবদর নেতা ছিলেন না ও অপরাধের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ নেই তারপর ও ফাঁসি দিলেন! যার সাথে হাসিনা একসাথে মিলে কেয়ারটেকার আন্দোলন করলো। সেই হাসিনা আজ রাজার আসনে বসে নিজামীর ফাঁসির হুকুম করছে আর নিজামী সাহেব ফাঁসির কাষ্ঠে!"

সেইভ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার নজরুল ইসলাম বলেন, যে জমিনে মাওলানা নিজামীর রক্ত ঝরেছে সেই জমিনে আমরা একটি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করে রক্তের বদলা নিব।

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ যেভাবে হাজার হাজার প্রতিবাদী গণতন্ত্রকামী মানুষকে হত্যা করেছিলো, এখন বাংলাদেশকে সেইরকম পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে বর্তমান ক্ষমতা লোভী হাসিনা। বিশ্বের মতামতকে উপেক্ষা করে প্রহসনের বিচার মঞ্চস্থ করছে আওয়ামী লীগ এবং মুখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথিত শ্লোগান নিয়ে বাংলাদেশে বাকশাল কায়েমের সুগভীর ষড়যন্ত্র করছে। অবিলম্বে আমরা এই সমাবেশ থেকে জামায়াত আমীর মাওলানা নিজামীর মুক্তির দাবি করছি।

মুফতি শাহ সদর উদ্দিন বলেন, সকল রাজবন্ধির মুক্তির দাবী জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়া না হলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে সকল দায়দায়িত্ব আওয়ামীলীগকেই বহন করতে হবে। বিচার বিচার খেলা চলছে। কি রায় হবে তা আগে থেকেই ঠিক করা আছে। সময় হলেই তারা তা পড়ে শুনানো হয় ।

তারা বলেন, বর্তমান ট্রাইবুন্যাল একটি বিতর্কিত ট্রাইবুন্যাল তাই একে বাতিল করতে হবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক। চিহ্নিত ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে বিচারের কাঠ গড়ায় দাড়ঁ করানো হোক। কিন্তু বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সে সৎ সাহস নেই। মূলত: শেখ মুজিবর রহমান ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে ক্ষমা করে দিয়ে নিজেই যুদ্ধাপরাধীদের মদদ করেছেন। এমনকি ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে দিল্লি চুক্তির মাধ্যমে ভারত পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করেছে। আর সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে শেখ মুজিব সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। প্রকৃত দোষীদেরও ছেড়ে দিয়ে আজ বাংলাদেশের নাগরিকদের বিচার করা হচ্ছে মিথ্যা অভিযোগে।

মানবাধিকার সংগঠক ব্যারিস্টার বদরে আলম দিদার বলেন, বাংলাদেশে সামাজিক ন্যায় বিচার সুশাসন প্রতিষ্ঠা সংগ্রাম চলছে চলবে। আমাদের নেতাদের হত্যা করে অবৈধ আওয়ামী সরকারের পতন বন্ধ করা যাবে না। বাংলাদেশে নতুন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হবে আওয়ামী বাকশালীদের পতনের মধ্যদিয়ে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনতার সংগ্রাম চলছে জনতার সংগ্রাম চলবে।

অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্বের সকল আর্ন্তজাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে অস্বচ্ছ, অগ্রহণযোগ্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা সত্ত্বেও সরকার দেশের সত্যিকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যারা কাজ করছেন তাদের সেই প্রতিবাদী কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে চাইছে।

বক্তরা বলেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের গেইট থেকে সরকারী বাহিনী প্রকাশ্যে স্বাক্ষী অপহরণ করে নিয়ে গেলেও ট্রাইবুনালের বিচারকরা সেটাকে আমলে নেন না। অথচ আসামি পক্ষ্যের আইনজীবীকে আদালত থেকে বহিষ্কার করে দেন।

বক্তারা বিদ্যমান ট্রাইবুন্যালকে দলীয় আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিরোধীদলকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে এই ট্রাইবুন্যালকে ব্যবহার করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার।

সরকারকে হুঁশিয়ার করে বক্তারা বলেন, আগুন নিয়ে খেলবেন না। তাহলে এ আগুনে আপনাকেও পুড়ে মরতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আন্তর্জাতিক সকল মহল এই ট্রাইবুন্যালকে প্রত্যাখান করেছে। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধাপরাধ আইন আন্তর্জাতিক মানে নেই।

তারা বলেন, সরকার তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্মূলের অভিযানে নেমেছেন।

বক্তারা আরো বলেন, একদিন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যাদের দরজায় এসে ধর্না দিতেন আওয়ামী লীগ এখন সেই জামায়াত ইসলামীকে স্বাধীনতা বিরোধী আখ্যায়িত করে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বিচারীক আদালত নামক নাটকের মাধ্যমে হত্যা ষড়যন্ত্রের লিপ্ত রয়েছে। এরা বন্দুকের নলের জোরে এখন ক্ষমতায় টিকে থাকার শেষ চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের গণমানুষের দল নয়, এরা দেশের শত্রু ইসলামের শত্রু উন্নয়নের শত্রু।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের গণমানুষের দল হলো ২০ দলীয় জোট। এতে অবৈধ বাকশালীরা আতঙ্কিত হয়ে বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীদের হত্যা করছে। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে বন্দী করে রাখছে। আওয়ামী লীগ এখন রাজনৈতিক ভাবে দেওলিয়া হয়ে গেছে। এদের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দেশে জনগণের সংগ্রামের মাধ্যমে আওয়ামী কবর রচিত হবে বাংলাদেশে। তখন এদের ব্রাহ্মণ্যবাদী প্রভুরা রক্ষা করতে পারবে না।

সমাবেশে আরো বলা হয়, ট্রাইবুনালে নিজামীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষী হতে সরকারের তরফ থেকে বাধ্য করা হয়েছিলো বলে নান্নু মিয়া জানান। একটি অফিসে গোপনে ধারণ করা এই ভিডিওতে দেখা যায় জনাব নান্নু খোলামেলাভাবে ট্রাইবুনাল নিয়ে বলেছেন, সরাসরি শেখ হাসিনার হুকুমে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দিতে বাধ্য হয় মুক্তিযোদ্ধা নান্নু।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল এর জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য নিয়ে আসার অন্যতম নায়ক হচ্ছে লেফট্যানেন্ট জেনারেল ইমরুল কায়েস। তিনি সেনাবাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড; শেখ হাসিনা তাকে পদোন্নতি দেন! তিনি মুক্তিযোদ্ধা নান্নুকে ক্যান্টনম্যান্ট এ নিয়ে যেয়ে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বাধ্য করেন। সাথে জড়িত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু। ব্যক্তিগত দূর্দশার বর্ণনা দিয়ে টাকা-পয়সার লেনদেনসহ এবং পুরো ঘটনার বিবরণ দেন। এ থেকে পরিষ্কার বুঝা যায় এটি একটি জঘন্য মিথ্যাচার এবং এটি একটি বিচারীক হত্যাকাণ্ড।

উল্লেখ যে, জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়েও বহাল রয়েছে। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার সকালে এক মিনিটের মধ্যে দুটি বাক্যে এই রায়ের সংক্ষিপ্তসার জানিয়ে দেন।

বেঞ্চের অপর তিন সদস্য হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

কথিত গালগল্পে বলা হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাবনায় হত্যা, ধর্ষণ এবং বুদ্ধিজীবী গণহত্যার দায়ে দেড় বছর আগে নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আপিল আংশিক মঞ্জুর করে সেই দণ্ডাদেশই বহাল রেখেছে সর্বোচ্চ আদালত।

২, ৬ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে পাকিস্তানি সেনাদের নিয়ে পাবনার বাউশগাড়ি, ডেমরা ও রূপসী গ্রামের প্রায় সাড়ে ৪০০ মানুষকে হত্যা ও ৩০-৪০ জন নারীকে ধর্ষণ; পাবনার ধুলাউড়ি গ্রামে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৫২ জনকে হত্যা এবং পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবী গণহত্যার দায়ে নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল রাখা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশকে ইসলামী নেতৃত্বশূন্য করতেই একে পর এক মিথ্যা রায়ের মাধ্যমে জামায়াত নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে। জামায়াতের ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় তারই ধারাবাহিকতা। নাস্তিকবাদী ইসলাম বিদ্বেষী আওয়ামীরা জানে না শহীদের রক্তের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা পাবে। হত্যা নির্যাতন চালিয়ে ইসলামের অগ্রযাত্রা বন্ধ করা যায় না বরং তা আরও বেগবান হয়। মাওলানা নিজামী বিচারে ন্যায় বিচার পায়নি তাকে অন্যায় ভাবে কথিত মিথ্যা বানোয়াট মামলায় এই রায় দেয়া হয়েছে ।

তিনি আরো বলেন, এটি একটি ভুল ও ন্যায়ভ্রষ্ট রায়। কথিত এই রায়ে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলিত হয়েছে। মাওলানা নিজামী সরাসরি কোনো অপরাধে সংশ্লিষ্ট ছিলনা ও আলবদর বাহিনীর প্রধানও ছিলনা, এই কথা ওপেন কোর্টে একথা প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলার পরও বেআইনি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

ব্যারিস্টার নজরুল আরো বলেন, বর্তমান ব্যর্থ সরকারের নানাবিধ চুরি ডাকাতি আর গুম-খুন দামাচাপা দিতে হঠাৎ করে মাওলানা নিজামীর রায় সামনে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের তথাকথিক ট্রাইবুন্যাল মাওলানা নিজামীর প্রশ্নবিদ্ধ রায়ের মাধ্যমে আবারও নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।

এমআইএস