"উওর কোরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরমানু বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকার" এমনই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সাবেক প্রধান এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেট্টা।পিয়ংইয়ং-এর সেনারা যদি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল বা ডিএমজেড নামে পরিচিত দুই কোরিয়াকে বিভক্তকারী সীমান্ত অতিক্রম করে তবে যুদ্ধে পরমাণু বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা ওয়াশিংটন করে রেখেছে বলে জানান তিনি।

"ওয়ার্থি ফাইটস" নামে নিজের নতুন আত্মজীবনীতে এ কথা বলেছেন প্যানেট্টা। দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ওয়াল্টার শার্প ২০১০ সালে সিউলে দেয়া এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন প্যানেট্টা।

তিনি লিখেছেন, উত্তর কোরিয়ার সেনারা যদি সীমান্ত অতিক্রম করে তবে মার্কিন যুদ্ধ পরিকল্পনা অনুযায়ী কোরিয়ায় মোতায়েন সিনিয়র মার্কিন জেনারেল দেশটিতে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর কমান্ড গ্রহণের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার বাহিনীর কমান্ড গ্রহণ করবেন। সে সময়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে পরমাণু বোমা ব্যবহার করা হবে বলে জানান তিনি।

কোরিয় উপদ্বীপে যুদ্ধ বাধতে পারে এবং এটি কোনো কাল্পনিক বা দূরবর্তী কোনো বিষয় নয় এমন জোরালো ধারণা নিয়েই সিউলের ওই বৈঠক ত্যাগ করেছিলেন তিনি। কোরিয় উপদ্বীপে ১৯৫৮ সালে কৌশলগত পরমাণু বোমা মোতায়েন করে আমেরিকা। অবশ্য এটি ১৯৭০-এর দশকের আগে প্রকাশিত হয় নি।

 

 

ইআর