ইন্দোনেশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ জাভা দ্বীপের একটি পুরনো আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা উদগীরণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে সেখানকার কেলুদ পর্বত থেকে অগ্নুৎপাত শুরু হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে শুরু করেছেন। অন্যদিকে অগ্নুৎপাতে নির্গত ছাই ও গলিত পদার্থে রাস্তায় ঘন লাভা জমে যাওয়ায় শহরটির সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, কেলুদ পাহাড় থেকে উৎক্ষিপ্ত লাভা ৮০ মাইল দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ১০ মাইল ওপর পর্যন্ত ছাই ও পাথর নিক্ষিপ্ত হচ্ছে। আগ্নেয়গিরির উৎক্ষেপিত ছাই ও গলিত পদার্থে সেখানকার একটি শহরসহ আশেপাশের বিরাট এলাকা তলিয়ে গেছে। বেশ কয়েকটি শহরে ৪সেন্টিমিটার পুরু ছাই জমে গেছে। স্থানীয় ৩টি বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নির্গত ছাই ও পাথরে স্থানীয় কয়েকটি বাড়ির ছাদ ভেঙে গেছে এবং একটি শহর লাভায় সাদা হয়ে গেছে। এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে শহরের সড়ক থেকে লাভা অপসারণের কাজ শুরু করছেন।
প্রসঙ্গত, ওই আগ্নেয়গিরি থেকে কয়েক সপ্তাহ ধরে অগ্নুৎপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। সরকারি কর্মকর্তারা সেখানকার ২ লাখ মানুষকে নিরাপদে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আগেই। ওই আগ্নেয়গিরি থেকে ১৯৯০ সালে শেষ অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটেছিল। ১৯১৯ সালে সেখানে অগ্নুৎপাতে ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। দেশটিতে ১৩০টির মতো আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
[b]ঢাকা,১৪ফেব্রুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
আন্তর্জাতিক
জাভা দ্বীপে ভয়াবহ অগ্নুৎপাত, হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন
ইন্দোনেশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ জাভা দ্বীপের একটি পুরনো আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা উদগীরণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে সেখানকার কেলুদ পর্বত থেকে অগ্নুৎপাত শুরু হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে





