ভারতজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে আজ (১২ জুলাই) রোববার সকাল ৮টা, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বাধিক সংক্রমণ। একদিনে রেকর্ড সংখ্যক ২৮ হাজার ৬৩৭ জন সংক্রমিত।
আজ (১২ জুলাই) রোববার সকালে এই পরিসংখ্যান দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, খবর এনডিটিভি।
জানা গেছে, এই সংক্রমণ ধরে দেশে মোট সংক্রমিত ৮,৪৯, ৫৫৩ জন। পাশাপাশি একদিনে ৫৫১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রোববার সকাল পর্যন্ত দেশে মোট মৃত ২২,৬৭৪ জন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে আরও খবর, এযাবৎকাল মোট ৫,৩৪, ৬২১ জন সুস্থ হয়েছেন। মন্ত্রকের দাবি, মোট সংক্রমণের ৭৮% এসেছে সাতটি রাজ্য থেকে। একদিনে এত সংখ্যাক সংক্রমণের নেপথ্যে আছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, অসম, বিহার, কর্নাটক।
এদিকে, স্থিতিশীল অমিতাভ ও অভিষেক বচ্চন। দুই অভিনেতার মৃদু উপসর্গ আছে। রবিবার সকালে মেডিকাল বুলেটিনে জানিয়েছে নানাবতী হাসপাতাল। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংক্রমণ নিয়েই এই হাসপাতালে সপুত্র ভর্তি হয়েছিলেন বিগ-বি।
মহারাষ্ট্র রাজ ভবনের ১৮ জন সংক্রমিত। সে রাজ্যে মোট সংক্রমিত ২ লক্ষ ৪৬ হাজার। গত একদিনে সংক্রমিত আট হাজারের বেশী মানুষ।
এদিকে, করোনা পরিস্থিতির সাময়িক উন্নতি দিল্লিতে। সক্রিয় সংক্রমণ কমেছে গত ৩১ দিনের তুলনায়। জুলাই মাসের প্রথম দশদিনে হোম আইসোলেশনে থাকা কোনও করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি। গত দু'সপ্তাহে সার্বিক ভাবে কমেছে মৃতের হারও। দিল্লি স্বাস্থ্য দফতরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এমনটাই উল্লেখ।
পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২৮,৫০০ ছুঁইছুঁই। শনিবারে সর্বাধিক সংক্রমণ দেখেছে বাংলা। একদিনে সংক্রমিত ১৩৪৪ জন। মৃত মোট ৯০৬।
একইভাবে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের বিচারে মধ্যপ্রদেশে মোট সংক্রমিত ১৭,২০১ জন, মৃত ৬৪৪।
ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ বিচারে কামরূপে দু'সপ্তাহের লকডাউন বাড়ালো অসম সরকার। গুয়াহাটিতে সক্রিয় সংক্রমণ প্রায় তিন হাজার। অরুণাচল প্রদেশের রাজধানী শহর ইটানগরেও বাড়ানো হয়েছে লকডাউন। জুলাই ১৩ ও ১৪, দু'দিনের কড়া লকডাউন চলবে মেঘালয়ে।
এমবি





