২০২২ সালের নভেম্বর মাসে র্যালি নিয়ে ইসলামাবাদ যাওয়ার সময় ওয়াজিরাবাদ নামক একটি স্থানে ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়। আততায়ীর ছোঁড়া চারটি গুলি তার পায়ে লাগে। এতে তার পায়ের নার্ভ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইমরান খান হামলা ও এর পরবর্তী প্রভাব নিয়ে বলেছেন, ‘গুলির ক্ষতের চেয়ে গুলির কারণে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রভাবে আমার আরও বেশি সমস্যা হয়েছে। আমি এখনো ঠিকমতো হাঁটতে পারি না।
ডান পায়ে এখনো আমার পুরোপুরি অনুভব নেই। এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব, ডাক্তাররা বলেছেন এটি সময় গড়ানোর সঙ্গে সেরে যাবে, চলে যাবে।’
নিজে পুরোপুরি হাঁটতে না পারলেও পাঞ্জাবে হতে যাওয়া নির্বাচন নিয়ে নিজ দল তেহরিক-ই ইনসাফের কর্মীদের ব্যস্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাবেক পাক প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে শনিবার গুলিবিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও গত লাহোরের মিনার-ই পাকিস্তান ময়দানে বিশাল র্যালি করেন ইমরান খান।
ইমরান খান এই র্যালিটিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘এটি (মিনার-ই পাকিস্তান) পাকিস্তানের সবচেয়ে ঐতিহাসিক স্থান এবং এটি সবচেয়ে বড় ময়দান।
তাই এই ময়দানটি পরিপূর্ণ করা খুবই কঠিন। যদি আপনি সেখানে র্যালি করেন পুরো দেশ দেখে, একটি দল হিসেবে ওই ময়দান পরিপূর্ণ করা মানে, আপনার প্রতি বিপুল সমর্থন রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, ইমরান খানের লাহোরের এ র্যালিতে যেন মানুষ না আসতে পারে সেজন্য প্রধান সড়কগুলোতে কনটেইনার দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে দেশটির সরকার।
এছাড়া তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, রাজনৈতিক দলগুলোর র্যালিকে ঘিরে জঙ্গিরা সন্ত্রাসী হামলা চালাতে পারে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ইনডিপেনডেন্ট।
এন





