তেল আবিবে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে চার ইসরাইলি নাগরিক নিহত হওয়ার পর ইসরাইলের ভেতরেই ইহুদিবাদী দেশটির দখলদারি নীতির সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ইসরাইলি রাজনীতিকদের একাংশ বলছেন, ফিলিস্তিনে ইসরাইলি দখলদারিত্বের প্রতিবাদে ওই হত্যাকান্ড ঘটেছে।
বুধবার তেল আবিবে দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে চার ইসরাইলি নিহত এবং আরো ছয়জন আহত হয়েছে। খোলা আকাশের নীচের জনপ্রিয় একটি শপিং ও রেস্তোরাঁ এলাকায় বুধবার গুলি চালালে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরের কাছের সারোনা মার্কেটের দুটি স্থানে এ হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসরাইল ৮৩০০০ ফিলিস্তিনির ইসরাইলের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
ইসরাইলি দখলদারি নীতির সমালোচনায় সামনের কাতারে আছেন তেল আবিবের মেয়র রন হুলদাই।
ইসরাইলি আর্মি রেডিও দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলমান সন্ত্রাসবাদের মূলে রয়েছে ইসরাইলের ফিলিস্তিনি ভূখন্ড দখল।
‘আমরা বিশ্বে একমাত্র জাতি যাদের দখলদারিত্বের নীচে বাস করছে আরেকটি জাতি। তাদের নাগরিক অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে, ‘ বলেন মেয়র হুলদাই।
তিনি বলেন, সমস্যা হচ্ছে যখন সন্ত্রাসবাদ থাকে না তখেন দখলদারিত্ব নিয়ে কেউ কথা বলেন না।
হুলদাই বলেন, ৪৯ বছর হয়ে গেলে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। কোনো নেতা সাহস করে এটা বলছেনও না।
অন্যদিকে ইসরাইলি আরব সংসদ সদস্য আয়মান ওদেহ বলেন, ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসানকল্পে উভয়পক্ষকে একযোগে কাজ করতে হবে। উভয় জনগণের জন্য সঠিক কাজ ও শান্তির জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট
এফএফ





