নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, পাকিস্তান কূটনৈতিক শিষ্টাচার বর্হিভূত আচরণ করছে। আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই না।

আমাদের কাজ হচ্ছে, পাকিস্তানী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণের জাগরণ সৃষ্টি করা। এই বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার স্বাধীনতা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দুতাবাসের একজন লোক ঘুরে বেড়াবে। ভারতীয় রুপি ও দুটি পাসপোর্ট তার কাছে পাওয়া যাবে। এটা অনৈতিক কাজ। এসব কাজ কেবল সন্দেহজনক না, এলার্মিংও। তাই এর বিরুদ্ধে জনগনকে জাগানোর কাজও আমরা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত পাকিস্তানি বাহিনীর ২০০ জন সেনা সদস্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করে নৌ পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে আরও কিছু তথ্য-উপাত্ত আছে। সেগুলো আমি পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করবো।

তিনি বলেন, আমাদের দাবী সমূহ জাতীয় সংসদে উত্থাপানের জন্য স্পীকারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রেরণ করা হবে। আগামীকাল (বুধবার) বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে এ স্মারকলিপি নিয়ে কয়েক হাজার মানুষের এক বিশাল মিছিল সহকারে আমরা সংসদ অভিমুখে যাত্রা করবো।

শাহজাহান খান বলেন, 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধী সেনাদের বিচারের প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, আমরা এ উদ্যোগকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এসময় তিনি কর্ণেল তাহের হত্যাকান্ডের রায় অনুযায়ী মৃত পাকিস্তানি সেনাদেরও আদালত শাস্তি দিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহাসচিব এমদাদ হোসেন, চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের মহাসচিব ওসমান গণি, শিক্ষক নেতা আব্দুল মান্নান চৌধুরী প্রমুখ।

এসএইচ