মিয়ানমার সরকার শনিবার ঘোষণা করেছে, জনগণনার সময় মুসলমানদেরকে রোহিঙ্গা হিসেবে নিবন্ধিত করা হবে না। গত তিন দশকের মধ্যে এটিই হচ্ছে সেদেশে প্রথম জনগণনা। দেশটির উগ্র বৌদ্ধরা দাবি করছে, জনগণনায় রাখাইন (আরাকান) প্রদেশের মুসলমানদেরকে রোহিঙ্গা হিসেবে নিবন্ধিত করা হলে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নাগরিক হিসেবে গণ্য হয়ে হতে পারে।
মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র ইয়ে হাতুত আজ সাংবাদিকদের বলেছেন, কোন বাড়ির কেউ যদি নিজেকে রোহিঙ্গা হিসেবে পরিচয় দেয়,তাহলে তাকে নিবন্ধিত করা হবে না। তিনি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেয়ার জন্য রোহিঙ্গাদের পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকার সেদেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে প্রতিবেশি বাংলাদেশ থেকে আগত অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গণ্য করে। এই অজুহাতে দীর্ঘ দিন ধরে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে সেদেশ থেকে বিতাড়নের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের একটা বড় অংশই এখন শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে। তাদেরকে কোন ধরনের নাগরিক সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। ইতিহাসও সাক্ষ্য দেয়- রোহিঙ্গারা মিয়ানমারেরই নাগরিক। মুসলমান হওয়ার কারণেই তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা জানিয়েছেন।
জনগণনা ইস্যুকে কেন্দ্র করে চলতি সপ্তাহে উগ্র বৌদ্ধরা রাখাইন প্রদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। হামলার পর বিদেশি ত্রাণকর্মীরা প্রাণভয়ে ওই এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন। জাতিসংঘ প্রায় ৫০ জন কর্মীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। ১৯৮৩ সালের পর এই প্রথম মিয়ানমারে জনগণনা করা হচ্ছে। রোববার) থেকে শুরু হয়ে ১২ ধরে এই জনগণনা চলবে। জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক ফান্ড (ইউএনএফপিএ) এই জনগণনায় সহায়তা দিচ্ছে।
[b]ঢাকা, ২৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)// টিআই[/b]
আন্তর্জাতিক
রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিবন্ধিত করা হবে না
মিয়ানমার সরকার শনিবার ঘোষণা করেছে, জনগণনার সময় মুসলমানদেরকে রোহিঙ্গা হিসেবে নিবন্ধিত করা হবে না। গত তিন দশকের মধ্যে এটিই হচ্ছে সেদেশে প্রথম জনগণনা





