আধুনিক ও উন্নত চীনের প্রধান পথ প্রদর্শক এবং চীনা জনগণের প্রিয় নেতা হিসেবে দেং শিয়াং পিং সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংকিং।
শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে চীনের ওই মহান নেতার ১১০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। দেং শিয়াং পিং অধ্যায়ন কেন্দ্র বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মা মিংকিং বলেন, চীন একশত কোটি জনগণের দেশ হলেও সেখানে দারিদ্র নেই।
বর্তমানে চীন সরকার মেরিটাইম সিল্ক রুট ও ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রতিষ্ঠার নীতি গ্রহণ করে তৃতীয় বিশ্বের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, এই সফলতা এক দিনে আসে নি। এর পেছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন দেং শিয়াং পিং। তিনি শুধু চীন নয় বিশ্বের কাছেও একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৯১১ সালে ডা. সান ইয়াত সেনের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বিপ্লব, ১৯১৯ সালে ছাত্র বুদ্ধিজীবি আন্দোলন, ১৯২৭ সাল থেকে কমিউনিস্ট পার্টি জাতীয়তাবাদী সরকারের জাতীয় যুদ্ধ, ১০৩৭ সালে জাপানের আগ্রসনের বিরুদ্ধে লড়াই, ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত জনযুদ্ধ এবং ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে গণচীনের প্রতিষ্টা বিশ্ব সভ্যতাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশাত্মোবোধক গান ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এসময় আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক দেলোওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি নুরুল হুদা, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
এমএ/এসএইচ





