মুম্বাইয়ে অন্তর্বাসে করে সোনা পাচারের সময় ধরা পড়েছেন এক মহিলা। কেনিয়ার নাগরিক ওই মহিলা অন্তর্বাসের মধ্যে ২.১৪ কেজি সোনা বহন করছিলেন। আটক হওয়া মহিলা সোনা পাচারের জন্য এক-দুইটি নয়, বরং ৬টি অন্তর্বাস পড়েছিলেন। প্রত্যেকটির মধ্যে লুকানো ছিল ৫৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ২.১৪ কেজি সোনা।
জামা ডাবির নামের এই মহিলা শুক্রবার নাইরোবি থেকে মুম্বাই আসেন। এয়ারপোর্টে কাস্টমস কর্মকর্তাদের তার ওপর সন্দেহ হয়। এক কর্মকর্তা জানান, আমাদের মহিলা নিরাপত্তা কর্মীরা লক্ষ্য করেন যে তিনি ভালোভাবে হাঁটতে পারছেন না। এর পরই তার ওপর আমাদের সন্দেহ যায়। কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
তারা জানতে পারেন যে, প্লাস্টিকের ব্যাগে করে সোনাগুলি তিনি শরীরে লুকিয়ে ছিলেন। নীচ থেকে যাতে পড়ে না-যায়, তাই ৬টি অন্তর্বাস পড়েছিলেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও, এক লক্ষ টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়। তবে তার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করেছে কাস্টমস। তার বিরুদ্ধে মামলা তো চলবেই, উপরন্তু সোনায় ডিউটিও দিতে হবে জামা ডাবিরকে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ নিয়ে তৃতীয় বার ভারতে এসেছেন জামা ডাবির। তাদের সন্দেহ যে, এর আগেও তিনি ভারতে সোনা পাচারের উদ্দেশে এসেছিলেন।
উল্লেখ্য এর আগেও, একাধিকবার এ ধরনের মামলা সামনে এসেছে। গত বছর আগস্ট মাসে ডাইরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই)-এর কর্মকর্তারা টেক্সটাইল টাইকুন অভিষেক পোদ্দারে বউ বিহারী পোদ্দারকেও এ ভাবেই সোনা পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। সিঙ্গাপুর থেকে ২.৩৫ কোটি টাকার সোনা এবং হিরের গয়না তিনি নিজের অন্তর্বাসে লুকিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। আবার সে বছরই হায়দরাবাদ এয়ারপোর্টে রাশিদ আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে ৩.৩ কেজি সোনা পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনিও অন্তর্বাসের মধ্যেই সোনাগুলো লুকিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
[b]ঢাকা, ০৬ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
আন্তর্জাতিক
মহিলার অন্তর্বাসে ২.১৪ কেজি সোনা
মুম্বাইয়ে অন্তর্বাসে করে সোনা পাচারের সময় ধরা পড়েছেন এক মহিলা। কেনিয়ার নাগরিক ওই মহিলা অন্তর্বাসের মধ্যে ২.১৪ কেজি সোনা বহন করছিলেন। আটক হওয়া মহিলা সোনা পাচারের জন্য এক-দুইটি নয়, বরং ৬টি অন্তর্বাস পড়েছিলেন। প্রত্যেকটির মধ্যে লুকানো ছিল ৫৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ২.১৪ কেজি সোনা।





