কোলজুড়ে ফুটফুটে বাচ্চাটি আসামাত্রই তার সুন্দর একটি নাম খুঁজতে বাবা-মা থেকে শুরু করে নানু-দাদুরা পর্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সবার পছন্দে নামের তালিকা নিয়ে তারপর চলে গবেষণা।
কিন্তু জার্মানিতে নামের তালিকাটি কিন্তু ইচ্ছেমতো বানানো যায় না। এই দেশটির পাশাপাশি ইতালি এবং সুইডেনসহ বেশ কয়েকটি দেশেই শিশুদের যেমন খুশি তেমন নাম রাখার কোনো উপায় নেই।
বেশ কয়েকটি দেশের আবহে শিশুদেরকে নামঘটিত অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে বাঁচাতে এবং তাদের জন্য সুন্দর ও কোমল নামের জন্য এই ধরাবাঁধা নিয়ম দেওয়া হয়েছে। এমন ১২টি নাম রয়েছে যা বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য রাখা রীতিমতো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
[b]১. অ্যান্ডারসন[/b]
জার্মানিতে কোনো বাচ্চার ডাকনামে অ্যান্ডারসন রাখা যাবে না। তাছাড়া রাখা যাবে না কোনো বস্তু বা পণ্যের নাম। পাশাপাশি টেইলর, টবিস, রাইলেস এবং কুইনস নামের সঙ্গে লিঙ্গ নির্দেশক নাম থাকতে হবে।
[b]২. বিয়ার[/b]
অ্যালিসিয়া সিলভারস্টন এবং কেট উইন্সলেটকে তাদের বাচ্চার জন্য অন্য নাম খুঁজতে হতো যদি তারা মালয়েশিয়া থাকতেন। কারণ দেশটিতে যেকোনো পশু, ফল এবং সবজির নামে শিশুর নাম রাখা নিষিদ্ধ। আর দুই তারকার বাচ্চার নামের সঙ্গে বিয়ার বা ভালুক যুক্ত আছে।
[b]৩. ক্যারোলিনা[/b]
বাচ্চাদের জন্য এই নামটি আইসল্যান্ডে রাখা সম্ভব নয়। কারণ আইসল্যান্ডিক ভাষায় 'সি' অক্ষরটি নেই। দেশটির নাম রাখা সংক্রান্ত কমিটি তাই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
[b]৪. ডিউক[/b]
নিউ জিল্যান্ডে ডিউক নাম রাখা নিষিদ্ধ। কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির খেতাবকে অসম্মান করা থেকে বাঁচতে এই সিদ্ধান্ত। এই নামের সঙ্গে আরো কিছু শব্দকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেমন- প্রিন্স, প্রিন্সেস, কিং, মেজর, সার্জেন্ট এবং নাইট।
[b]৫. এলাইন[/b]
এলাইন এর মতো এলিস, স্যান্ডি, লরা এবং লিন্ডা নামগুলো বাচ্চাদের রাখা নিষেধ আছে সৌদি আরবে। কারণ নামগুলো ধর্মীয় অনুভূতির বিপরীতে যায় এবং এই নামগুলো ভিন্ন ধর্ম ও অমুসলিমদের পরিচয় প্রকাশ করে।
[b]৬. হারমিয়ন[/b]
ম্যাক্সিকোর সোনোরা স্টেটে বাচ্চাদের জন্য নিষিদ্ধ নামগুলোর একটি হারমিয়ন। তর্জন-গর্জনের অনুভূতি প্রকাশ পায় এমন নাম রাখা নিষেধ আছে সেখানে যার মধ্যে হ্যারি পটার, জেমস বন্ড এবং লেডি ডাই এর নাম রয়েছে।
[b]৭. কেনেডি[/b]
জার্মানিতে বিশেষ করে বার্লিনে এই নামটি বাচ্চদের নামের সঙ্গে যোগ করা যাবে না।
[b]৮. মায়া[/b]
গত বছর গোটা আমেরিকায় জন্ম নেওয়া মেয়ে শিশুদের মধ্যে চার হাজারের নাম রাখা হয়েছে মায়া। কিন্তু এমন নামের একটিকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না সৌদি আরবে।
[b]৯. মোনালিসা[/b]
পর্তুগালে নিষিদ্ধ নামের যে ৪১ পাতার তালিকা রয়েছে তার মধ্যে একটি নাম মোনালিসা।
[b]১০. সারাহ[/b]
মরক্কোতে ইংরেজিতে সারাহ শব্দের বানানটি যদি হয় Sarah, তবেই নামের হিব্রু সংস্করণ হিসেবে তা নিষিদ্ধ। কিন্তু Sara হলে একে আরবি সংস্করণ হিসেবে দেখা হবে এবং এ নামটি রাখা যাবে। তবে নিষিদ্ধ নামের তালিকা থেকে নাম রাখতে হলে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে সরকারকে। এমন নামের মধ্যে একটি হলো 'অ্যাডাম'।
[b]১১. টম[/b]
শিশুর নাম টম থাকলে কোনো জন্ম নিবন্ধন দেওয়া হয় না পর্তুগালে। তবে টমাস থাকলে চলবে। এ দেশে পুরো নামটি ঐতিহ্যগতভাবে পর্তুগিজ ভাব থাকতে হবে। তা ছাড়া লিঙ্গ বোঝা যায় না এমন নামও রাখা যাবে না।
[b]১২. ভায়োলেট[/b]
জেনিফার গার্নার এবং বেন অ্যাফ্লেকের প্রথম সন্তানের নাম অবশ্যই পরিবর্তন করতে হতো যদি তারা মালয়েশিয়া থাকতেন। প্রকৃতি সংশ্লিষ্ট কোনো নাম এ দেশে রাখা নিষেধ। সূত্র : ওয়েবসাইট।
[b]ঢাকা, ২৬ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
আন্তর্জাতিক
শিশুদের ১২টি নাম নিষিদ্ধের তালিকায়
কোলজুড়ে ফুটফুটে বাচ্চাটি আসামাত্রই তার সুন্দর একটি নাম খুঁজতে বাবা-মা থেকে শুরু করে নানু-দাদুরা পর্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সবার পছন্দে নামের তালিকা নিয়ে তারপর চলে গবেষণা। কিন্তু জার্মানিতে নামের তালিকাটি কিন্তু ইচ্ছেমতো বানানো যায় না।





