ভারত এখন মেতে আছে বিজেপি আর নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে। মোদী ভারত জয় করেছে বীরদর্পে। লোকসভার ৫৪৩ আসনের ২৮২-টিই বিজেপির দখলে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ২৭২টি আসন। ফলে খুব সহজেই কোন জোট ছাড়াই সরকার গঠন করতে পারে বিজেপি। গত তিন দশকের মধ্যে লোকসভা নির্বাচনে কোন একক দল হিসেবে সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় আসন পেল বিজেপি। অথচ এই দলটিই ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল। কিন্তু এবারের ১৬তম নির্বাচনে মোদী ম্যাজিকে সব ভোল পাল্টে গেল। বিজেপির এই বিশাল বিজয় বিস্মিত করেছে ভারতকে, বিস্মিত করেছে বিশ্ববাসীকেও। ঐতিহ্যবাহী, ধর্মনিরপেক্ষ এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দল কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৪৪টি আসন। দলটি পার্লামেন্টে এককভাবে বিরোধী দলের মর্যাদাও হারিয়েছে। কেননা, পার্লামেন্টে কোন দলকে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে হলে দলটিকে কমপক্ষে ৫৫টি আসন পেতে হয়। কিন্তু বিজেপির এই বাজিমাতের পিছনের কারণগুলো কী? মিডিয়াগুলো এ নিয়ে সোচ্চার রয়েছে। প্রায় সবাই বলছেন, মোদীর ক্যারিশম্যাটিক নির্বাচনী প্রচারণা ও সদ্য বিদায়ী কংগ্রেস সরকারের ব্যর্থতাই এক্ষেত্রে দায়ী। কিন্তু শুধু এই কারণগুলোকেই যথেষ্ট মনে করছেন না দলটিরই সিনিয়র নেত্রী সীতারাম ভেছুরি। তার মতে এর পেছনে রয়েছে আরও 'অন্য কারণ'। অন্য কারণগুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা তিনি না দিলেও কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছেন। মোদীর নির্বাচনী প্রচারণার পিছনে কারা টাকা ঢেলেছে এবং কেন ঢেলেছে সেগুলো জানতে পারলেই নাকি জানা যাবে মোদী তথা বিজেপির সাফল্যের রহস্য। বিজেপির প্রবীণ এই নেত্রীর মতে, বিজেপির সাফেল্যের রহস্য শীঘ্রই উন্মোচিত হবে। তার মতে, মোদীর প্রচারণার পেছনে যারা টাকা ঢেলেছে তারা যে সরে গেছে তা ভাবাটা বোকামি। তারা আছে এবং সুদে-আসলে টাকা ফেরত পাবার অপেক্ষাতেই আছে। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিতটি হচ্ছে, টাকার এই দায়ভারটা মোদী বা বিজেপির ওপর দিয়ে যাবে না, তা যাবে জনগণের উপর দিয়ে। জনগণের জন্য এই চাপটা হবে বোঝাস্বরূপ। বিজেপি সরকার এই অর্থের চাপ কীভাবে সামাল দেয় বা চ্যালেঞ্জগুলোকে কীভাবে মোকাবেলা করে তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিজেপির পেছনে যারা অগুনতি টাকা ব্যয় করেছে তারাই সরকারের কলকাঠি নাড়বে বলেও মনে করেন তিনি। মিডিয়ার প্রচারণা যে মোদীর অনুকূলে ছিল তা সবারই বোধগম্য। তবে, অর্থের বিষয়টি কারো বোধগম্য নয়। মোদীর তিনটি ম্যাজিক মূলত তার বিপুল জনপ্রিয়তা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে কাজে দিয়েছে। এই তিনটি হচ্ছে, তার হিন্দুত্ববাদী ভাবধারা (তবে, তিনি এর সুস্পষ্ট প্রচারণা চালাননি), উন্নয়নের মডেল এবং সুশাসনের আভাস (গুড গভর্নেন্স)। মোদীর এই প্রচারণা ভারতীয়দের কাছে দুধ ও মধুর (হানি এন্ড মিল্ক) মতো কাজে দিয়েছে। কিন্তু পিছন থেকে এই দুধ আর মধুর কৌটাগুলো কে ধরেছে সেটাই চরম গুরুত্ব বহন করবে। এবার জনগণকে কীভাবে এই 'মধু-দুধ' সরবরাহ করা হবে সেটাই দেখার বিষয়। সূত্র: দ্যা হিন্দু [b]ঢাকা, ১৮ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ [/b]
'মোদীর সাফল্যের রহস্য উন্মোচিত হবে শিগগিরই'
ভারত এখন মেতে আছে বিজেপি আর নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে। মোদী ভারত জয় করেছে বীরদর্পে। লোকসভার ৫৪৩ আসনের ২৮২-টিই বিজেপির দখলে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ২৭২টি আসন। ফলে খুব সহজেই কোন জোট ছাড়াই সরকার গঠন করতে পারে বিজেপি।
‘মোদি সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে পিএম-দক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ও বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করার অভিযোগ তুলেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকারকে কটাক্ষ করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ।
মোদির বাসভবনের পাশের ঐতিহাসিক মসজিদ খালি করার নির্দেশ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদ ৬ দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এলঅ্যান্ডডিও)।
পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা করছেন মোদি : মমতা
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গ্রেপ্তারের মাধ্যমে একটি পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে।
মোদিকে হিটলার-মুসোলিনির পরিণতি স্মরণ করিয়ে ধ্রুব রাঠির হুঁশিয়ারি
ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আটকের নামে তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিটলার ও মুসোলিনির পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ইউটিউবার।
‘মোদি ভারতের জন্য লজ্জার’ মুক্তি পেয়ে অভিজিতের বার্তা
আটক থেকে মুক্তি পেয়েই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য ‘লজ্জার’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
















