ইয়েমেনে চলমান যুদ্ধে জড়িত সকল দেশে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। গত শুক্রবার দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের এক মুখপাত্র এ ঘোষণা দিয়েছেন।
ঘোষণাটি এমন সময় এসেছে যখন মার্কেল জোট সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। নতুন এই পদক্ষেপ ওই আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্টেফান সেইবার্ট নামের ওই মুখপাত্র টুইটারে বলেন, প্রাথমিক আলোচনা বহির্ভূত কোনো অস্ত্র রপ্তানির বিষয় নিয়ে চিন্তা করছে না জার্মানি। এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা। খবরে বলা হয়, নতুন এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে সৌদি আরবে জার্মানির অস্ত্র রপ্তানি ব্যাপক আকারে প্রভাবিত হবে।
অথচ, জার্মান টিভি চ্যানেল ডয়েচে ভেলে অনুসারে, ২০১৭ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে দেশটিতে মোট ৪৫ কোটি ইউরো মূল্যের অস্ত্র রপ্তানি করেছিল জার্মানি। উল্লেখ্য, সৌদি আরব ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িত।
এদিকে, মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের শাখা সংগঠন অ্যামনেস্টি গালফ জার্মানির এই পদক্ষেপের ব্যাপক প্রশংসা করেছে।
পাশাপাশি তারা অন্যান্য রাষ্ট্রকেও জার্মানির পদাঙ্ক অনুসরণ করতে আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি শুক্রবার এক টুইটে বলেছে, সুখবর! জার্মানি ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িত দেশগুলোতে অস্ত্র চালান বন্ধ করতে চলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সহ সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা উচিত। প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংগঠন ক্যাম্পেইন এগেইন্সট আর্মস ট্রেড (সিএএটি) অনুসারে, ইয়েমেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৬৩০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের অস্ত্র সরবরাহ করেছে যুক্তরাজ্য।
জেড





