[b]কায়রো:[/b] মিশরে নতুন সংবিধানের পক্ষে প্রায় 'শতভাগ' ভোট পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্যমতে, এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৯৮ দশমিক ১ ভাগ। তবে ভোটদানে বিরত ছিলো ৩৮ দশমিক ৬ ভাগ ভোটার। মুসলিম ব্রাদারহুডসহ ইসলামি দলগুলো এই নির্বাচন বর্জন করেছিল। ব্রাদারহুডের দেয়া তথ্যমতে, ভোট পড়েছে মাত্র ৫ শতাংশ।
শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের প্রধান নাবিল সালিব গণভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে জানান,হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ৯৮ দশমিক ১ ভাগ ভোটার তাদের রায় দিয়েছে। তবে ইসলামপন্থী দলগুলোর ডাকে ভোটে দেয়া থেকে বিরত ছিলো ৩৮ দশমিক ৬ ভাগ বা ৫ কোটি ৩০ লাখ ভোটার।
গত মঙ্গলবার ও বুধবার মিশরে দু'দিন ধরে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের প্রথম দিনে সহিংসতায় বেশ কয়েকজন নিহত হন। গত শুক্রবার পুলিশ ও মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যকার সংঘর্ষে নিহত হন আরো চার জন।
গণভোটে নতুন সংবিধান ভালোভাবে উতরে যাওয়ার পর এবার মিশরে প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি নেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর।
এদিকে মিশরে গণভোটের ফলাফল ঘোষণা করার পর শনিবার মধ্যরাতে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সংবিধানে উল্লেখিত মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতার পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
গত বছর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যূত করার পর নতুন সংবিধান গ্রহণের উদ্যোগ নেয় সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার। তারা খসড়া সংবিধান রচনার জন্য ৫০ সদস্যের কমিটি গঠন করেছিলো। তবে সমালোচকরা বলছেন,সেনাবাহিনীর স্বার্থ রক্ষা করার জন্য এ সংবিধান রচিত হয়েছে। ২০১১ সালে স্বৈরাচারী শাসক হুসনি মোবারককে হঠিয়ে যে গণবিপ্লবের সূচনা হয়েছিল এটি তার পরিপন্থী।
এ খসড়া সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো:
১. প্রেসিডেন্ট চার বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। তিনি সব মিলিয়ে দু মেয়াদ ক্ষমতায় থাকতে পারবেন।
২. ইসলাম হবে রাষ্ট্র ধর্ম। তবে অন্য ধর্ম এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
৩. রাষ্ট্র নারী ও পুরুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করবে।
৪. ধর্ম, গোত্র, লিঙ্গ বা ভৌগলিকতাকে কেন্দ্র করে দেশে কোনো রাজনৈতিক দল গঠন করা যাবে না।
৫. আগামী আট বছর প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সেনাবাহিনীর লোকজন।
আন্তর্জাতিক
মিশরে নতুন সংবিধানের পক্ষে প্রায় শতভাগ 'ভোট'
কায়রো: মিশরে নতুন সংবিধানের পক্ষে প্রায় 'শতভাগ' ভোট পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্যমতে, এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৯৮ দশমিক ১ ভাগ। তবে ভোটদানে বিরত ছিলো ৩৮ দশমিক ৬ ভাগ ভোটার। মুসলিম ব্রাদারহুডসহ ইসলামি দলগুলো এই নির্বাচন বর্জন করেছিল। ব্রাদারহুডের দেয়া তথ্যমতে, ভোট পড়েছে মাত্র ৫ শতাংশ।





