তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, রাশিয়ার কাছ থেকে সংগৃহিত অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘এস-৪০০’ আগামী বছরের এপ্রিল নাগাদ পুরোপুরি মোতায়েন করা হবে।
একইসঙ্গে আঙ্কারা মস্কোর সঙ্গে যৌথভাবে এই ব্যবস্থা উৎপাদন করতে চায় বলেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের তৃতীয় বার্ষিকীতে ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক বিমানবন্দরে এক জনসভায় এরদোগান এই কথা জানান।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, এ পর্যন্ত ৮টি বিমানে করে ‘এস-৪০০’র বিভিন্ন অংশ তুরস্কে আনা হয়েছে এবং বাকি অংশগুলো শিগগিরই আঙ্কারায় এসে পৌঁছাবে।
তিনি বলেন, ২০২০ সালের এপ্রিলের মধ্যে এইসব ব্যবস্থা নির্ধারিত স্থানগুলোতে পুরোপুরি মোতায়েন করা হবে।
এরদোগান বলেন, “যারা আমাদের দেশে হামলা করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবস্থা হচ্ছে এস-৪০০।”
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর হুমকি সত্ত্বেও রাশিয়ার কাছ থেকে ‘এস-৪০০’ ব্যবস্থা গ্রহণ করল তুরস্ক। মার্কিন সরকার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিল, ন্যাটো জোটের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংগ্রহ করলে এই জোটের নিরাপত্তা বিপন্ন হবে।
এর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ‘প্যাট্রিয়ট’ ব্যবস্থা কেনার জন্য আঙ্কারাকে প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
কিন্তু তুর্কি সরকার মার্কিন হুমকি প্রত্যাখ্যান করে রাশিয়ার সঙ্গে ২৫০ কোটি ডলারের এই চুক্তি বাস্তবায়ন করল।
এমবি





