জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মিয়ানমারকে কড়া বার্তা দিলেন সংস্থার মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস। তিনি অবিলম্বে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব মঙ্গলবার তার ভাষণে রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযান বন্ধের পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রবেশাধিকারেরও দাবি জানান। রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের কথিত গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর এমন কড়া বার্তা দিলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
বিশ্বের চলমান সংকটের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সংস্থার মহাসচিব বলেন, জলবায়ুর ক্ষতিকর পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তা, বৈষম্য ও বিরোধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্রের প্রধানদের প্রতি তিনি আরও মানবিক আচরণ করারও আহ্বান জানান।
গুতেরেস বলেন, প্রতিটি রাষ্ট্রই তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমানার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কঠোর করে থাকে। কিন্তু শরণার্থী এবং অভিবাসন প্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে তা খাটে না। কেননা, মানবিক কারণেই তাদের সুরক্ষা প্রতিটি দেশকেই নিশ্চিত করতে হবে।
নিজেকে অভিবাসী দাবি করে গুতেরেস বলেন, ‘আমি নিজেই একজন অভিবাসী, আপনাদের অনেকের মতই। কিন্তু কেউ আশা করে না যে, নিজের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে জন্মস্থানের বাইরে কর্মসংস্থান পেতে ট্রাকের পেছনে মরুভূমি অতিক্রম করবে কিংবা উত্তাল সাগর পাড়ি দেবে।’
উদ্বোধনী ভাষণে তিনি উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিরও নিন্দা জানান। শক্তির প্রদর্শন করতে গিয়ে লাখ লাখ মানুষকে বিপদের মুখে ফেলার কোনো অর্থ নেই বলেও ভাষণে জানান এন্তোনিও গুতেরেস।
এ এস





