কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশটির আরিফজান সামরিক ঘাঁটি থেকে তিন দিনের মধ্যে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পেয়েছেন তারা। তিনি জানান, চিঠিটি তিনি কুয়েতে মার্কিন সেনা শিবিরের প্রধান কমান্ডারের পক্ষ থেকে এমন চিঠি পেয়েছেন।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) ক্যাম্পের মার্কিন অধিনায়কের কাছ থেকে এ চিঠি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গ্রহণ করে বলে মন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি (কেইউএনএ)।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘কুনা’র বরাত দিয়ে রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। সংবাদ সংস্থা কুনাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আরিফজান ক্যাম্প থেকে এ জাতীয় একটি চিঠি পাওয়া অপ্রত্যাশিত। আমরা আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।
এদিকে শুক্রবার মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেইমানির হত্যার প্রতিশোধ নিতে বুধবার ভোররাতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘আইন আল-আসাদ’সহ অন্য একটি ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান।
একের পর এক ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপণযোগ্য অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ঘাঁটিটিকে গুঁড়িয়ে দেয় ইরানি সামরিক বাহিনী।
এতে ৮০ মার্কিন সেনা নিহতের দাবি করে ইরান। তবে ট্রাম্প এ হামলার প্রতিক্রিয়া জানান, সব ঠিক আছে। এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই উত্তেজনার মধ্যেই অঞ্চলটি থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণাটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এএস





