যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বুধবার কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। বাল্টিমোরে পুলিশের হেফাজতে থাকা এক আফ্রিকান-আমেরিকান তরুণ মারা যাওয়ার পর পুলিশের নৃশংসতা বন্ধের দাবিতে এ বিক্ষোভ করা হয়। খবর: এএফপির।

বাল্টিমোরে সবচেয়ে বেশি মানুষের সমাগম ঘটে। নগরীটিতে কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে অংশ নেয়। এদের অধিকাংশই তরুণ। মিছিলের কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকার জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়ে। মিছিলটি নগরীর কেন্দ্রস্থল থেকে সিটি হলের দিকে অগ্রসর হয়।

তাদের এই আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে নিউইয়র্ক, রাজধানী ওয়াশিংটন ও বোস্টনেও কয়েক হাজার লোক রাস্তায় নেমে আসে। এই বিক্ষোভকে কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর পুলিশের অন্যায় কৌশলের কারণে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ করে। যদিও নিউইয়র্ক পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে।

এসব বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল ছিল বাল্টিমোর। এখানে শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের অনেকে হাতে হাত ধরে স্লোগান দেয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী অনেকেই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী।

জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জনাথন ব্রাউন (১৯) এএফপিকে বলে, আমরা বিশেষত কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর পুলিশের চলমান অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিপুল এই জনসমাগমে অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজন প্ল্যাকার্ড বহন করছিল। এতে লেখা ছিল ‘হত্যাকারী পুলিশদের কারাগারে আটক করতে হবে। ’

এদের মধ্যে কয়েকজনের শার্টে ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল পর্যবেক্ষক’ লেখা ছিল।

জেআই