জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনাসদস্য প্রদান ও অর্থ যোগানদাতা হিসেবে এশিয়ার দেশগুলো তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

তিনি আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর কুর্মিটোলায় আর্মি গলফ ক্লাবে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে এশীয় অঞ্চলের অবদান বিষয়ক এক উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

জাতিসংঘের শান্তি মিশনে জাতিসংঘ মহাসচিবের অধীন উচ্চ পর্যায়ের কোন স্বাধীন পরামর্শ প্যানেলের এটাই প্রথম কোন আঞ্চলিক বৈঠক। দুই দিন চলবে এই উম্মুক্ত আলোচনা, যেখানে বক্তারা খোলাখুলিভাবে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন এবং পরামর্শ দিবেন।

বাংলাদেশে এমন একটি বৈঠক ও উম্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করতে পেরে তিনি আনন্দিত বলেও জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাহমুদ আলী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ৪০ শতাংশ সেনাসদস্য এবং ৩৩ শতাংশ পুলিশ এশিয়া অঞ্চলের।

তিনি বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এশিয়া অঞ্চলের প্রায় ৪১ হাজার সদস্য রয়েছে যাদের অনেকেই সংঘাতময় অঞ্চলে অত্যন্ত ঝুকিঁর মধ্যে সাহসিকতার সাথে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বাংলাদেশ। আর এ কাজে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করবে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের চিরাচরিত দায়িত্ব থেকে সংঘাতপূর্ণ কোনো দেশে হস্তক্ষেপের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলেও জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সতর্কতা দরকার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পূর্ব তিমুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হোসে রামোস হোর্তা, পররাষ্ট্রসচিব মোজাম্মেল হক খান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক প্রমুখ।

কেবি