সিরিয়ার অবরুদ্ধ এলাকায় আটকে থাকা অন্তত ২৯৯ জন খেতে না পেয়ে মারা গেছেন। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বুধবার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তারা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডবুলেটিন।
জানা গেছে, সিরিয়ার অভ্যন্তরে অন্তত দুই লাখ মানুষ সরকারি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আটকা পড়েছেন। অন্যদিকে, বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আটকা আছেন অন্তত ৪৫ হাজার মানুষ। তাদের জন্য জীবন ধারণের মতো প্রয়োজনীয় খাদ্য-পানি ও ঔষুধ নেই। বাইরে থেকে এসব সরবরাহেরও কোন সুযোগ নেই।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সিরিয়ার অভ্যন্তরে অন্তত ৬৫ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়ে আছেন। আর দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন আরো ২৫ লাখ মানুষ। তারা সাধারণত সিরিয়ার প্রতিবেশী জর্ডান, তুরস্ক ও লেবাননে আশ্রয় নিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে আরব দেশগুলোতে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও একনায়কত্বের অবসানের জন্য গণবিপ্লব শুরু হয়। আরব বিশ্বের এ গণজাগরণ 'আরব বসন্ত' নামে পরিচিত। আরব বসন্তের এ দোলা সিরিয়াতেও লাগে। বাশার আল আসাদের দীর্ঘ একনাকতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে জনগণ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরু করেন ২০১১ সালে। কিন্তু সরকারি বাহিনী তাতে শক্তি প্রয়োগ করলে ধীরে ধীরে তা সহিংসতায় রুপ নেয়। এক পর্যায়ে তা গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। সূত্র: ওয়ার্ল্ডবুলেটিন
[b]ঢাকা, ১০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ
[/b]
আন্তর্জাতিক
সিরিয়ায় না খেয়ে মারা গেলেন অবরুদ্ধ ২৯৯ জন
সিরিয়ার অবরুদ্ধ এলাকায় আটকে থাকা অন্তত ২৯৯ জন খেতে না পেয়ে মারা গেছেন। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বুধবার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তারা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডবুলেটিন।





