আগামী ৫ এপ্রিল আফগানিস্তানে অনুষ্ঠিত হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।এই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ১১জন।
রোববার তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রচারণা শুরু করেছেন।
দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারবেন না।
এদিকে প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত সবাই। কারণ, তালেবারা নির্বাচনী প্রচারণাকে সামনে রেখে হামলার হুমকি দিয়েছে।
এই হুমকির মধ্যেই শনিবার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহের দুইজন কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।হামলার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "এই কাপুরুষোচিত হামলা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে প্রচণ্ড ভয় সৃষ্টি করেছে। এটা মেনে নেয়া যায় না"।
দেশটির সরকার প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রত্যেক প্রর্থীকে অস্ত্র সজ্জিত গাড়ি এবং নিরাপত্তারক্ষী দিয়েছে।
১১ প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মধ্যে একজন হলেন আশরাফ ঘানি। তিনি দেশটিতে এক ধরনের সংস্কার আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অপর প্রার্থী আব্দুল্লাহ বলেছেন, আফগানিস্তানের ব্যাপারে বিশ্ববাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটাররা নিরাপত্তা নিয়ে বেশ আতঙ্কিত। এদেরই একজন আরেফা আলীজাদা। তিনি বলেন "যদি পরিস্থিতি খারাপ হয়, তবে আমি এবং অনেকেই ভোট দিতে পারবনা"।
নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে অন্যতম আলোচিত ইস্যু হবে, দেশটিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি। কারণ, চলতি বছরের শেষ দিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সেনাবাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগ করবে।তবে  আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীদের প্রশিক্ষণ এবং পরামর্শ দেওয়ার জন্য কয়েক হাজার মার্কিন সৈন্য আফগানিস্তানে থেকে যাবে।

২ ফেব্রুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)// টিআই