পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে এগিয়ে আছে ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সর্বশেষ ফলাফল ঘোষণায় এ তথ্য জানা গেছে।
যদিও কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিগ লিগ-নওয়াজ [পিএমএল (এন)] এ ফল প্রত্যাখ্যান করেছে এবং কারচুপির অভিযোগ এনেছে। তবে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট কারচুপির অভিযোগের সত্যতা নেই।
ইমরান খানের শিবির জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেছে। তবে তাদের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে অপেক্ষা করতে হবে। গতকাল বুধবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলছে, ইমরান খানের পিটিআই ১১৪ আসনে জয় পেয়েছে। নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন পেয়েছে ৬৪টি আসনে জয়, বিলওয়াল ভুট্টোর নেতৃত্বে থাকা পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৪২ আসনে জয়।
আজ সকালে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে ফলাফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে। কমিশন সচিব বাবর ইয়াকুব বলেন, ‘কোনো ষড়যন্ত্র হয়নি, ফলাফল প্রকাশে দেরি করার জন্য কোনো চাপ দেওয়া হয়নি। ফলাফল স্থানান্তর ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দেরি হয়েছে।’
ইমরান খানের শিবির জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। যদিও পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে হলে ১৩৭ আসনে জয় পেতে হবে। না পেলে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করতে হবে।
নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফ নেতৃত্বাধীন পিএমএল-এন ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। শাহবাজ অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া সেনা সদস্যরা অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের বের করে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শাহবাজ বলেন, ‘ভোট জালিয়াতি হয়েছে। মানুষের মতামতকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এটা সহ্য করা যায় না।’
জেড





